পুরীর কাকাতুয়ার বিখ্যাত খাজার কাহিনী

Video Description

পুরীর কাকাতুয়ার বিখ্যাত খাজার কাহিনী পুরী ঘুরতে এসে খাজা না খেলে পুরী ঘোরা অসম্পূর্ণই থেকে যায় । খাজার জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো এটি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে নিবেদিত ৫৬ টি ভোগের একটি। পুরীর সবচেয়ে জনপ্রিয় খাজার দোকানটি হলো কাকাতুয়া মিষ্টান্ন ভান্ডার। এই দোকানটির ফ্যান-ফলোয়িং সত্যিই অভাবনীয়। এই দোকানটিতে খাজা অর্ডার দেওয়ার জন্য কয়েক ঘন্টা অবধি লোকেদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। এই মিষ্টান্ন ভাণ্ডারটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কাকাতুয়া মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের নামকরণের পিছনে একটি আকর্ষণীয় গল্প রয়েছে। এই দোকানে একটি কাকাতুয়া পাখি ছিল যা প্রতিটি পথচারী বা দর্শনার্থীর সাথে সবসময়ে কথা বলতো। পুরীর লোকেরা পাখিটির কথায় এতটাই মোহিত হয়েছিলেন যে দোকানটির নামকরণের জন্য "কাকাতুয়া মিষ্টান্ন ভান্ডার" নামটি ছিল সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত। ৭০ বছর পুরোনো এই দোকানটিতে আজও আপনি একটি কাকাতুয়া পাখি দেখতে পাবেন। শুধু কাকাতুয়া মিষ্টান্ন ভাণ্ডার নয়, পুরীর স্বর্গদ্বার বাজার এলাকায় আরও বেশ কয়েকটি দোকান রয়েছে যারা খাজা বিক্রি করেন।তাদের মধ্যে আর একটি নামী দোকান হলো গাঙ্গুরাম সুইটস । এই দোকানটি মূলত তিন ধরণের খজা বিক্রি করে: ডালদার তৈরি খাজা, খাঁটি তেল দিয়ে তৈরি খাজা এবং সবচেয়ে দামি, ঘি এ ভাজা খাজা। সুতরাং, পুরী ঘুরতে এলে খাজা অবশ্যই চেখে দেখতে হবে, কারণ এই মিষ্টি স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের কাছে সমানভাবে জনপ্রিয়।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.