অর্শ কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলি জেনে নিন

Video Description

অর্শ কমানোর ঘরোয়া উপায় গুলি জেনে নিন আজকের ভিডিওতে আমরা কথা বলব পাইলস বা অর্শ রোগের কিছু ঘরোয়া সমাধান নিয়ে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে শতকরা ৭০ শতাংশ বাঙালিই নাকি পাইলস বা অর্শ রোগের যন্ত্রণায় ভুগেন । অথচ এটি নিয়ে কষ্ট পেলেও আমরা কাউকে বলি না বা ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন বোধ করি না। কিন্তু এটির চিকিৎসা না করলে ধীরে ধীরে এর কষ্ট বাড়তে থাকে। মলদ্বারের ভিতরে এবং বাইরের দিকে থাকা বেশ কিছু Tissue এবং পেশি যখন নানা কারণে খুব ফুলে যায়, তখন এই ধরনের রোগের আশঙ্কা বেশি থাকে। এক্ষেত্রে মূলত মলত্যাগ করার সময় খুব কষ্ট হয়। তবে আর চিন্তার কোনও কারণ নেই আজ আমরা আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এই রজার কিছু ঘরোয়া সমাধান। প্রথমত রয়েছে নারকেল তেল :- পাইলসের যন্ত্রণা হলেই অল্প করে নারকেল তেল নিয়ে হালকা করে মলদ্বারে লাগান। এতে প্রদাহের মাত্রা কমবে। ফলে যন্ত্রণা কমে যেতেও সময় লাগবে না। কমবে ফোলা ভাবও। দ্বিতীয়ত হল রেড়ির তেল (Castor Oil):- অর্শ রোগের ঘরোয়া চিকিৎসার জন্য এই তেল ভীষণ ভাবে কার্যকরী। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। রয়েছে অ্যান্টি-ফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা অল্প সময়েই পাইলসের যন্ত্রণা কমায়। ভালো ফল পবার জন্য রাতে শুতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস গরম দুধে ৩ এম এল রেড়ির তেল মিশিয়ে পান করতে হবে । কয়েকদিন নিয়মিত এমনটা করলে অবশ্যই উপকার পাবেন। ৩ নম্বরে খেয়াল রাখতে হবে রাতের খাবারে:- রাতে বেশি ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার না খাওয়াই উচিত। এড়িয়ে চলতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারও । ভাজা জাতীয় খাবার খাওয়াও চলবে না। এসব খেলে প্রদাহের মাত্রা বেড়ে যায়, যার ফলে পাইলসের কষ্ট আরও বেড়ে যায়। এই কারণেই রাতের বেলা হালকা খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। জল পান করতে বেশি করে :- কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে পাইলস নিয়ে আর কোনও চিন্তাই থাকবে না। আর কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমবে তখনই, যখন খাবার ঠিক মতো হজম হবে। যার জন্য দিনে আট থেকে দশ গ্লাস জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাহলে আর কি ? এবার থেকে ঘরে বসেই কমিয়ে ফেলুন অর্শ রোগের যন্ত্রনা।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.