কন্যাকুমারীর অভিনব সূর্যোদয়

Video Description

সাগর ডাকে আয় সাগরের হাতছানি এড়িয়ে যেতে পেরেছে এমন মানুষ খুবই কম পাওয়া যাবে। আর একই সঙ্গে যদি তিন-তিনটি সাগর দর্শন করার সুযোগ মেলে তবে তো কথাই নেই। বলছি কন্যাকুমারীর কথা। ভারতবর্ষে যেকটি দর্শনীয় স্থান আছে কন্যাকুমারী তার মধ্যে অন্যতম। আর সমুদ্র সৈকত হিসাবে তো এর জনপ্রিয়তার কোনও তুলনা হয় না। বিশেষ করে কন্যাকুমারী থেকে সূর্যোদয় দেখার অভিজ্ঞতাই আলাদা। সারা বছর কন্যাকুমারী থেকে সমুদ্রের মাঝে সূর্যোদয় দেখতে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম ঘটে। ত্রিবেণী সঙ্গমে সূর্যোদয় কন্যাকুমারীর এই সানরাইস পয়েন্টের বিশেষত্ব এই স্থানটি হল তিনটি সমুদ্রের জলরাশির মিলন ক্ষেত্র। একদিকে আরব সাগর, এক দিকে বঙ্গোপসাগর আর মাঝে ভারত মহাসাগরের মিলনক্ষেত্র কন্যাকুমারীর এই বিখ্যাত সূর্যোদয় স্থান। এক একটি সাগরের জলের রং এক এক রকম। আর এখান থেকে এই তিন ধরনের জলরাশির বৈষম্য স্পষ্টভাবে চোখে পড়ে। সূর্যোদয় -এর সময় এই তিন ধরনের জলরাশির উপর যখন সূর্যের আলো প্রথম এসে পড়ে তখন এক অনির্বচনীয় দৃশ্যের উদ্ভব ঘটে। প্রশান্ত করে মন। সূর্যের সোনালী আভা যখন সমুদ্রের জলের উপর পড়ে বিচ্ছুরিত হয় তখন এক মায়াবী দৃশ্য সৃষ্ট হয়। মহামানবের সাগর তীরে সূর্যোদয় দেখে লঞ্চে চেপে চলে যান বিখ্যাত কবি থিরুভাল্লারের মূর্তি আর বিবেকানন্দ রকে স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তি দেখতে। এটি মাঝ সমুদ্রে অবস্থিত। এই বিখ্যাত স্থানেই স্বামীজি ধ্যান করতেন। তাই শুধু ভারতবাসীই নয় গোটা বিশ্ববাসীর কাছে এই স্থানের জনপ্রিয়তা প্রবল। চারদিক দিয়ে সমুদ্র ঘেরা এই স্থানে এলেই আপনার মন এক অনন্য প্রশান্তিতে ভরে উঠবে। এখানকার বই-এর স্টল গুলিতে পাবেন স্বামীজির আত্মজীবনী মূলক বিভিন্ন গ্রন্থ। যেগুলি সমৃদ্ধ করবে আপনার জীবন দর্শন। কন্যাকুমারীর এই সবকটা স্থানই কাছাকাছি অবস্থিত। তাই একই দিনেই ঘুরে ফেলতে পারেন সবকটি জায়গা। একদিন থেকেও যেতে পারেন সমুদ্র সংলগ্ন হোটেলে। হোটেলের ঘরে বসেই সাক্ষী থাকতে পারেন কন্যাকুমারীর অভূতপূর্ব সূর্যোদয়ের।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.