পুজোর সময়ের বাড়তি ওজন কিভাবে কমাবেন?

Video Description

পুজোর সময়ের বাড়তি ওজন কিভাবে কমাবেন? উৎসবের মরসুমে খাওয়াদাওয়ার অনিয়ম, রাত জেগে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা, যখন তখন পার্টি— সব মিলিয়ে শরীরকে বইতে হয়েছে অনেক অনিয়ম। পুজোর শেষে কাজ শুরু হয়েছে। তাই শরীরকেও আবার ছন্দে ফেরাতে হবে এখন থেকেই। যদিও উৎসবের মরসুম এখনও চলছে, তবু সাবধান হতে হবে এখন থেকেই। শরীরকে আগের নিয়মে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হলে ডি-টক্সিফাই অন্যতম সেরা উপায়। ঘরোয়া পদ্ধতি দিয়ে এই কাজ শুরু করতে চাইলে টক দইয়ের উপর আস্থা রাখুন। দইয়ের স্বাস্থ্যগুণ আমাদের কারও অজানা নয়। শরীরের টক্সিন দূর করে তাকে তরতাজা করতে যেমন দইয়ের জুড়ি নেই, তেমনই অনিয়মের বাড়তি মেদ ধরাতেও ভরসা টক দই। দইয়ের কোন কোন গুণের কারণে দীর্ঘ অনিয়মের পর বা রোজের ডায়েটে একে রাখলে শরীরের উপকার হয়, জানেন? উৎসবের মরসুমে তেল-মশলাদার খাবার কম খাওয়া হয়নি। টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমের জন্য ভীষণ উপযোগী। বদহজমের অসুবিধা থাকলেও সমান ভাবে কাজে আসবে টক দই। পুজোর কয়েক দিনের যথেচ্ছ খাওয়াদাওয়ায় কোলেস্টরল বেড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। টক দইয়ে ফ্যাটও কম থাকে এবং এটি কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতেও বিশেষ ভাবে উপযোগী। পুজোর মধ্যে অনেক সময় মদ্শযপান বেশি হওয়ার কারণে বা কম জল খাওয়ার কারণে শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়। এর হাত ধরে শরীরে ক্ষতিকারক টক্সিন জমা হয়। তাই প্রতি দিন সকালে এক বাটি করে টক দই খাওয়ার অভ্যাস করলে তা রক্তকে টক্সিনমুক্ত রাখতে সাহায্য করে। দুধ সহ্য হয় না অনেকেরই। তাই ভাবেন, দুধের পুষ্টিগুণ অধরাই থেকে গেল। টক দই কাজে লাগান সে ক্ষেত্রে। পুজোর পরে দুধের পুষ্টিই পেয়ে যান টক দইয়ের মাধ্যমে। পুজোয় বাইরের ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেলে ওজন বেড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক। এতে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কাজে লাগান টক দইয়ের উপকারিতা। কুচোনো শশার সঙ্গে টক দই মিশিয়ে খান রোজ। পুজোর কয়েক দিন ঠিকঠাক ঘুম না হওয়ার কারণে বা অনিয়মের জেরে উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা বিপদে পড়েন। রক্তচাপের ওঠানামা ঠেকাতে নিয়মিত ডায়েটের তালিকায় রাখুন টক দই।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.