হাল ছেড়ো না বন্ধু-অবসরের পরেও বিনা বেতনে স্কুলে পড়াচ্ছেন ডলি দিদি

Video Description

হাল ছেড়ো না বন্ধু Episode 02-অবসরের পরেও বিনা বেতনে স্কুলে পড়াচ্ছেন ডলি দিদিমণি ডলি বিশ্বাস বয়স প্রায় সত্তর ছুঁইছুঁই। তাও নিয়মিত স্কুলে আসেন নদীয়ার এই ডলি দিদি মনি. অবাক হলেন না? বয়স সত্তর, কিন্তু তাও স্কুলে শিক্ষকতা করছেন কিভাবে? না নিয়ম মতোই তার বয়স ষাট ছোয়ার সাথে সাথেই তিনি অবসর নিয়েছিলেন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকার পদ থেকে. কিন্তু অবসর নিতে পারেননি বাচ্চাদের শিক্ষা দেওয়ার কাজ থেকে. চাকদহের 14 নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর লালপুরে তার বাড়ি। বাড়ি থেকে স্কুলে দূরত্ব 40 কিলোমিটার। বাড়ি থেকে হেঁটে ট্রেকারে করে গিয়ে নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করেন তিনি। শিক্ষকতা তার পেশা নয়। স্কুলকে ভালবেসে ফেলেছেন, তাই বাকি জীবনটা বাড়িতে বসে কাটানোর কথা মেনে নিতে পারেন নি। বাড়িতে থাকলেই শুধু মনে হতো স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা ঠিকমতো পড়াশোনা করছে তো, শুধু পুঁথিগত নয়, মানুষ হবার লক্ষ্যে ব্রত আছে তো? সেই চিন্তাই তাকে আবার টেনে এনেছে স্কুলের দিকে. দিদিমনি জানান, তার কাছে শিক্ষকতা দেশসেবার সমসাময়িক. কারণ একটি ছাত্রকে শিক্ষিত করে তোলার অৰ্থই হলো প্রকৃত রূপে দেশকে শিক্ষিত করে তোলা. তাই তিনি শিক্ষকতা করেন এখনও. তিনি আরো জানান, যতদিন শরীর কুলাবে ততদিন তিনি তার শিক্ষকতা চালিয়ে যাবেন। তাইতো ১০ টা বাজলেই অবসর গ্রহনের পরেও নিয়মিত স্কুলে পৌছে যান নদীয়ার প্রত্যন্ত গ্রামের স্কুল কুণ্ডলীয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। এক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা তার স্বামী ও স্কুলের সহকর্মীরা. এলাকার বাসিন্দারাই 1962 সালের 18 শতক জমির উপর তৈরি করেছিলেন এই বিদ্যালয়। ২০০৫ সালের মার্চ মাসে তিনি এই বিদ্যালয়ে হেড দিদিমনির পদে যোগ দেন। স্কুলের পরিবেশ সেভাবে ছিল না তারপর নিজে স্কুলে যোগ দেবার পর পরিবেশ পাল্টে গেছে অনেকটা। ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। সত্যি ডলি দিদিমনির মতো শিক্ষিকারা যদি প্রতি স্কুলে থাকতেন...স্পার্ক ডেইলি বাংলার তরফ থেকে কুর্নিশ জানাই এই সমাজরক্ষক শিক্ষিকাকে.

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.