বরের অতি মাতৃভক্তিকে কন্ট্রোলে আনবেন কিকরে জানেন ?

Video Description

বরের অতি মাতৃভক্তিকে কন্ট্রোলে আনবেন কিকরে জানেন ? সবসময় যে শুধু রমণীর গুনেই সংসার সুখের হয় তা নয় , সংসারের সকলের সমান সহযোগিতা ছাড়া একটা সুখী সংসার কিছুতেই তৈরী করা সম্ভব হয়না। শাশুড়ি এবং বৌমা এই লড়াই চিরকালের ,এই লড়াই এর উইনিং ট্রফি একজনই। তিনি আপনার স্বামী। কারণ তিনি আপনার স্বামী হবার আগে মায়ের ছেলে ছিলেন। মুশকিল হয় তখন যখুন আপনার স্বামী একটু বেশি মাত্রায় মাতৃভক্ত হন। স্বামী যদি খুঁটিনাটি সব কোথায় মার সঙ্গে আলোচনা করে তবে সিদ্ধান্তে আসেন তাহলে এটা বেশ চিন্তার বিষয়, কিন্তু মন খারাপ করবেননা , সব কিছুরই একটা না একটা উপায় ঠিক আছে- নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে হবে- অন্তত নিজের স্বার্থে মাঝেমধ্যে সন্তানের মতো করে স্বামীকে মানুষ করুন, স্বামীর মুড ভালো থাকলে তাকে বোঝান যে , একজন পূর্ণবয়স্ক বুদ্ধিমান মানুষ সবসময় পরনির্ভর হয়না। এতে তার আত্মবিশ্বাস এ চির ধরে. এটাও বলুন যে ছেলে মেয়েরা বাবাকে দেখে তবেই নিজেরা জীবনের সিদ্ধান্ত নিতে শিখবে। প্যাসিভ নয় এক্টিভ ভূমিকা নিন- শাশুড়ি কিন্তু আপনার প্রতিপক্ষ নন, কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আপনি তার দ্বারস্থ হতেই পারেন। সেই আলোচনা স্বামীর সামনেই করবেন, স্বামীকে এটা বুঝিয়ে দেবেন প্রয়োজন হলে বাড়ির গুরুজনদের সাহায্য নিতেই হয় তাবলে সকাল থেকে রাত অবদি সব কথায় যদি নির্ভর করা হয় সেটা ভুল। পরিবারের অন্যদের সহযোগিতা নিন- রাতে খাবার টেবিল এ সবাই একসঙ্গে বসুন, গল্পের ছলেই তাদের সঙ্গে পরিচিত কারোর উদাহরণ দিন, যিনি মায়ের সাহায্য ছাড়াই সব সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম , বুঝিয়ে দিন যে বাড়িতে একা কোনো মানুষের আধিপত্য চলবেনা, বরং সবার সহমত নিয়েই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে. যদি আপনি তিতিবিরক্ত হয়ে গিয়ে স্বামীর সঙ্গে আলাদা থাকতে শুরু করেন তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়না, মানসিক ভাবে তিনি এতটাই মাতৃনির্ভর যে আলাদা হয়েও তার ছায়া থেকে বেরোতে পারেনা, তাহলে সেটা আপনার ক্ষেত্রে অনেক বেশি যন্ত্রণার হবে. তাই সবার সঙ্গে থেকেই মানসিকতার পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.