রুদ্রাক্ষ ধারণ করার বিশেষ গুণাগুণ জানেন কি?

Video Description

1. আমাদের হার্ট বিট এবং রক্তের চলাচলের কারণে একটা চৌম্বক শক্তির সৃষ্টি হয়, যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না। রুদ্রাক্ষে ডাইমাগ্মেটিজমের বৈশিষ্ট্য আছে, যা হার্টের ধমনী এবং শিরার মধ্যে রক্ত চলাচলকে বাড়িয়ে দেয় । 2. মুনি ঋষিরা বেশ উঁচু পাহাড় অঞ্চলে ধ্যান করে থাকেন। ওইসব উঁচু জায়গায় প্রায়শই বিষাক্ত গ্যাস মিশে থাকে জল এবং খাবারের মধ্যে এবং সেগুলো খেলে শরীর খারাপ হতে বাধ্য। রুদ্রাক্ষ শুদ্ধ এবং বিষাক্ত জল/খাদ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য করতে সাহায্য করে। জলের বা খাবারের মধ্যে রুদ্রাক্ষ দিলে, রুদ্রাক্ষটি যদি দক্ষিণাবর্তে ঘোরে তার মানে সেই জল বা খাবারে কোনো রকেমের বিষ নেই, কিন্তু রুদ্রাক্ষটি বামাবর্তে ঘুরলে বুঝতে হবে যে খাবারটি বিষাক্ত। 3. চারমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে তা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। বৃষচক কামড়ালে, এই রুদ্রাক্ষ কামড়ানোর জ্বালা থেকে মুক্তি দেয়। রুদ্রাক্ষটি কোনো শক্ত জায়গাতে ঘষে, তার মধ্যে জল দিয়ে একটা পেস্ট বানিয়ে কামড়ানোর জায়গাতে লাগালে, জ্বালার অবসান ঘটে। আমরা আরাম বোধ করি। 4. এমনটা শোনা যায় যে রুদরাক্ষের মালা ধারণ করলে নাকি সেটি আমাদের সুরক্ষা কবজ হয়ে দাঁড়ায়। অথর্ব বেদে বলা আছে যে রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে অশুভ শক্তি আমাদের থেকে দূরে সরে যায়। তার ফলে আমরা এইসব অশুভ শক্তির কোপ থেকে রেহাই পাই। এছাড়া রুদ্রাক্ষের কথা আয়ুর্বেদেও উল্লেখ করা আছে। আয়ুর্বেদে সঞ্জীবনীর আখ্যাও দেওয়া হয়েছে রুদ্রাক্ষকে। প্রার্থনার জন্যও অনেকে রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করে থাকেন। তাই চাইলে এবার আপনিও ধারণ করতে পারেন রুদ্রাক্ষ।

Join more than 1 million learners

On Spark.Live, you can learn from Top Trainers right from the comfort of your home, on Live Video. Discover Live Interactive Learning, now.