বিয়ের আগে হবু স্বামীর সঙ্গে আলোচনা করার কিছু বিশেষ টিপস ! (You should talk with your would be husband before marriage on this matters- )

  • by

বিয়ের মরশুম শুরু হয়ে গেছে, নিশ্চয়ই এই মরশুম এ অনেকেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন। তেমন হলে এখন থেকেই বিয়ের পরবর্তী জীবনের জন্য প্ল্যানিং শুরু করে দিতে হবে। কখনই সুখী দাম্পত্য সহজে পাওয়া যায়না , তার জন্য দুজনেরই প্রচুর ধৈর্য ,সমঝোতা, স্বার্থত্যাগ করে চলতে হয় তবেই এক সুখী দাম্পত্য পাওয়া সম্ভব. আপনাদের যদি প্রেম করেও বিয়ে হয় তাহলেও সাত পাক ঘোরার আগে কিছু কিছু আলোচনা দুজনের মধ্যে স্পষ্ট ভাবে করে নেয়া ভালো।

টাকা পয়সার দিকটা বুঝে নিন দুজনে (সেভিংস )-

যতই অস্বস্তিকর হোক আর্থিক দিকটা নিয়ে সহজ ভাবে কথা বলে ক্লিয়ার থাকা ভালো, হবু বরের কোথাও কোনো ধার রয়েছে কিনা, বা আজকাল নানারকম ইএমআই (EMI) চলে সেগুলো সম্পর্কে জেনে নিন. তারপর বিয়ের পর সংসার খরচের জন্য কে কতটা কান্ট্রিবিউট করবেন তার ব্যাপারেও জানা দরকার সেরম হলে দুজনের একটা জয়েন্ট একাউন্ট করে নেয়া সব থেকে ভালো।

সন্তান নিয়ে পরিকল্পনা –

অনেক সময় সন্তান জন্ম দেয়ার ব্যাপারে দুজনের মধ্যে মতবিরোধ হয় তাই আগেই এটা নিয়ে আলোচনা করে রাখলে সেই ভাবে প্ল্যানিং করে খুব আনন্দ নিয়ে নতুন প্রাণকে এই পৃথিবীতে আন্তে পারবেন আপনারা।

জীবনে লক্ষ্য ঠিক করুন –

প্রত্যেক মানুষেরই জীবনে কিছু না কিছু লক্ষ্য থাকে, কিন্তু দুজনের লক্ষ্য একেবারেই দুরকমও হতে পারে ,বর হয়তো ভবিষতে বেবসায়ী হতে চান আবার বৌ হয়তো চাকরিজীবী হয়েই থাকতে চাই. এগুলো নিয়ে আলোচনা করে নিলে দুজন দুজনের কাজের দিক এও সাপোর্ট দিতে পারবেন।

পরস্পরের দায়িত্ব জেনে নিন-

দাম্পত্যের বাইরেও রয়েছে আরো বড় পরিবার তাতে বাবা মা আত্বিয়স্বজন রয়েছেন তাদের প্রতিও আমাদের কিছু দায়িত্ব থেকে যাই, সেগুলো নিয়ে পরিষ্কার করে কথা বলে নিন দুজনে।

মনের মিল আছে তো-

রাজনৈতিক মতাদর্শ , ধর্মবিশ্বাস এগুলো নিয়ে মনের মিল না হলে সংসার করা যেন এক বিভিষীকা হয়ে দাঁড়ায়। এই বিষয় গুলোই দুজনে কতটা কমপ্যাটিবল ,সেটা আগে থেকে জানা থাকলে পরে আর সমস্যা হবেনা।

এই বিষয়গুলি নিয়ে, খোলাখুলি আলোচনা করে নিলেই কিন্তু আপনার দুশ্চিন্তার সিংহভাগই কেটে যাবে. এর মাধ্যমে, আপনার হবু স্বামীও বুঝতে পারবেন, যে বিয়ের পর আপনি একটা ব্যালান্সড লাইফ কাটাতে চান. আর নিজের এই সিদ্ধান্তে আপনার স্বামীকে ইনক্লুড করা মানে, তাকে গুরুত্ব দেওয়া. সমস্যা তো কাটবেই, আপনাদের সম্পর্কও দৃঢ় হবে.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।