২৫ পেরোলেই হতে পারে এই রোগ গুলির আনাগোনা (You should take care of your health in this way after 25)

মহিলা মাত্রই বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমরা বেশি মাত্রায় নিজের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীন হয়ে পড়ি। টুকটাক জ্বর, কাশি, বুকে ব্যথা – এইসব বিষয়গুলোকে অনায়াসে অবহেলা করি। যতক্ষণ না পর্যন্ত ‘ছোটখাটো’ শারীরিক সমস্যাগুলো রীতিমত বড় আকার ধারণ করছে, ততক্ষন পর্যন্ত না আমরা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাই, না চিকিৎসকের দ্বারস্থ হই। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন যখন কোনো অসুস্থতা বা শারীরিক সমস্যা ৪০০ টাকাতেই সমাধান হয়ে যেত, তখন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে আজ তার জন্য আপনার ৪০ হাজার থেকে চার লক্ষ খরচ হওয়ার জো হয়েছে। শরীরের সঠিক যত্ন নিতে ব্যাস ২৫ পেরোলেই করতে হয় কিছু টেস্ট। জানেন সেগুলি কি?

চলুন দেখা যাক-

১। কোলেস্টেরল টেস্ট-

আমাদের লাইফস্টাইল এখন এতটা তেলেভাজা আর বাইরের ফুডে ঘিরে থাকে যে ২৫ বছর কেন তার আগেও কিন্তু কোলেস্টেরল থাবা বসাতে পারে আমাদের শরীরে। আর ২৫ এর পর তো হওয়ার চান্স অনেকটাই বেশি। তাই এই টেস্ট কিন্তু করানো খুব জরুরি।

২। লিভার ফাংশানিং টেস্ট-

আমাদের শরীরে টক্সিনের পরিমাণ অনেকটাই নির্ভর করে আমাদের লিভারের কার্যক্ষমতার উপরে; মানে আমাদের লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো থাকলে আমাদের শরীরে টক্সিন জমেনা আর আমাদের হজম ক্ষমতা ভালো থাকে আর লিভারের কার্যক্ষমতা ভালো

না হলে ঠিক তার উল্টোটা হয়। আর সাথে যদি থাকে আপনার মদ্যপানের অভ্যাস, তো আর কিছু বলার নেই।তাই বছরে একবার লিভার টেস্ট করাতেই হয়।

৩। থাইরয়েড-

আরেকটি দরকারি টেস্ট। থাইরয়েডের দুটি বৈশিষ্ট আছে- একটিতে ওজন অস্বাভাবিক হরে বৃদ্ধি পে, তো আরেকটি তে ওজন কমতে থাকে। দুই ক্ষেত্রেই, মানে আপনার যদি হঠাৎ ওজন বাড়ে বা কমে তাওহলে ডাক্তারি পরামর্শ নিয়ে থাইরয়েড টেস্ট করানো উচিত।

৪। কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট টেস্ট-

বয়স বাড়ার সাথে সাথেই – অ্যানিমিয়া বা রক্তাল্পতা এই রোগটি কিন্তু দেখা যায়। কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট টেস্ট করিয়ে কিন্তু অনায়াসে জানা যায় যে অ্যানিমিয়ার প্রকোপ শরীরে ঠিক কতখানি। এছাড়াও যদি শরীরের ভিতর কোথাও কোনও ইনফেকশন, অনিয়মিত ঋতুস্রাব অথবা বিশেষ ধরনের কোনও ক্যান্সার উৎপাদনকারী কোষ থাকে, তাও জানা যায়। যদি আপনার চিকিৎসক জানান যে আপনার কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট রিপোর্টে কোনও সমস্যা নেই, সেক্ষেত্রে বছরে একবার করে এই স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া যেতে পারে।

৫। ম্যামোগ্রাম-

অনেকসময়েই এমন হয় যে মহিলাদের স্তনে একটি ছোট্ট লাম্প বা ফোলাভাব দেখা যায়। কিন্তু আমরা তো কোনো পাত্তাই দিই না। জানেন, এই ফোলা ভাব ল্যাম্প থেকেই স্তন ক্যান্সার হতে পারে। বলা যায়, অনেক ক্ষত্রে স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয় এই ল্যাম্পকে। তাই আগে থাকতেই ডাক্তারি পরামর্শ নিন।

রোগ পুষে রাখবেন না. একটু বেগতিক বুঝলেই ডাক্তারি পরামর্শ নিন. ওই যে বললাম, যেই সমস্যাটি মাত্র কিছু তাকে সেরে যায়, সেটিকে খামোকা বড় এমাউন্টের খরচে পরিণত না করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।