করোনার কোপ থেকে বাঁচতে কোন খাবারগুলি আপনার খাওয়া উচিৎ? (Which foods will boost your immune system to fight against Coronavirus? )

চিন, ইরান, ইতালির মতোন ধীরে ধীরে ভারতেও ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন সকলে। অনেকেই ভাবছেন এর প্রতিরোধ করবেন কিভাবে! ভারতের আগ্রা, গুরগাঁওের মতোন জায়গাতেও দিনে দিনে বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। আমাদের দৈনন্দিন খাওয়ারের তালিকাতেই আমরা করোনা ভাইরাসের প্রতি প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরী করতে পারি যা আমাদের শরীরকে দেবে ইমিউনিটি পাওয়ার। পাঁচটি ঘরোয়া খাওয়ারের মধ্যেই আপনি আপনার শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারেন।

১)তুলসী –

শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে তুলসী খুবই উপকারী। তুলসীতে অ্যান্টি -ভাইরাল এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি থাকে। যা শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।তাই প্রতিদিন খালি পেটে ৫টি করে তুলশী গেলমরিচ এবং ১ চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খান। দেখবেন ফল হাতে নাতে পাবেন।

২) রসুন-

এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান। যা শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এটি আমরা কাঁচা এবং তরকারি সহযোগে খেতে পারি। এই রোগ প্রতিরোধের জন্য সাধারণ ঘরোয়া প্দ্ধতিতে কাটা কাঁচা রসুনের সঙ্গে লবঙ্গ ও মধু মিশিয়ে খান। দেখবেন ভালো ফল পাবেন।

ঠান্ডা লাগলে, মানে ইতিমধ্যেই যদি সর্দি কাশি লেগে থাকে, তো হালকা রসুন জলের ভেপার নিতে পারেন, উপকার পাবেন.

৩) নাটস ও বেরি-

রেভেভারট্রোল সমৃদ্ধ খাবার যেমন চিনাবাদাম, পেস্তা, আঙ্গুর, ব্লুবেরি,স্ট্রবেরি, এমনকি কোকো এবং ড্রাক চকোলেট মতোন খাওয়ার গুলি ছত্রাকের সংক্রমণ, অতিবেগুনী রশ্মি, স্ট্রেস এবং আঘাতের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়ক। এগুলি যেকোনো ভাইরাসের আক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৪)আদা-

আদা শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম। এতে অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যা স্টার অ্যানিস এবং মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন। এইটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার খাওয়া যেতে পারে। আবার সন্ধ্যের চা টাও আদার কুচি জলে ফুটিয়েই খান, একেই ঋতু পরিবর্তনের সময় তাই সর্দি কাশি হওয়ার চান্স খুব বেশি. আবার এখন যখন ভাইরাসের একটা প্রকোপ পড়তে চলেছে, তখন এই অদা চা অনেক উপকার করবে শরীরে ইনুইনি পাওয়ার বাড়াতে.

৫) নারকেল তেল-

ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য শুদ্ধ নারকেল তেল খুবই উপযোগী। নারকেল তেল আপনি রান্নাতেও ব্যবহার করতে পারেন। এতে লিরিমিক অ্যাসিড এবং ক্যাপ্রিলিক অ্যাসিড অপরিহার্য। যা এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে.

তো আজ থেকেই পারলে এখন থেকেই, নিজেকে বাঁচাতে, নিজের পরিবারকে বাচাঁতে ডায়েটে রাখুন এই খাবার গুলি. একমাত্র নিজেদের ইমুইনি সিস্টেমকে দৃঢ় করে তুললেই এই রোগ থাবা বসাতে পারবে না.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।