হোম কোয়ারেন্টাইনের জন্য কি কি করতে হবে ? (What you need to do for quarantine? )

হোম কোয়ারেন্টাইন কথাটির সাথে এই কয়টি দিনে আশা করি অনেকেই ওয়াকিবহাল হয়ে গেছেন. মানেটা হল- কারোর মধ্যে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার সামান্য উপসর্গ দেখলেও তাকে আইসোলেট করে দেওয়া. যার অর্থ দাঁড়ায়- সেই রোগী কে বা বলা চলে সন্দেহভাজন রোগীকে সকলের থেকে আলাদা করে দেওয়া.

কারণ ভাইরাসটি এতটাই শক্তিশালী আর এতো দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছে যে এটি আটকানোর পথই হলো আক্রান্ত ব্যক্তিকে সকলের থেকে আলাদা করে চিকিৎসা চালানো. সে ক্ষেত্রে তার আলাদা থাকার জায়গা, আলাদা শৌচালয়, খাবার জায়গা এমনকি তার জামাকাপড়ও আলাদা করে দেওয়া. সুস্থ রয়েছেন এমন মানুষের থেকে পুরোপুরি দূরে রাখা.

দেশ জুড়ে অনেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনএ রাখার খবর শোনা যাচ্ছে. আবার বিভিন্ন হাসপাতালেও শুরু করা হয়েছে এই ব্যবস্থা. এমনকি আমাদের রাজ্যে কলকাতাতেও, রাজারহাটে চিত্তরঞ্জন ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসকে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্র হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে. যেখানে একসাথে ২০০ জন আক্রান্ত দের রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে. ব্যস্ত শরীরের থেকে অনেকটাই বাইরে এই সেন্টারটি. তাই দ্রুত করণের দমনে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে.

হাওড়াতেও ১৩০জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন রাখা হয়েছে. তবে জানেন কি কি রাখতে হবে হোম কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থার জন্য-

আপনার আলাদা খাট সাথে আলাদা বাথরুম, আলাদা হ্যান্ডওয়াশ, স্যানিটাইজার, ব্যবহৃত জামাকাপড় আলাদা রাখতে হবে. আপনার মধ্যে যদি উপসর্গ লক্ষ্য করা যায় তো আপনাকে সারাক্ষন মাস্ক পরে থাকতে হবে. আপনি সকলের সাথে একসাথে বসে খেতেও পারবেন না. সেই ক্ষেত্রেও আপনার আলাদা বাসন থাকাটা বাঞ্চনীয়. ঘরের জানলা দরজা সারাক্ষন বন্ধ রাখতে হবে. যাতে ইনফেক্টেড বাতাস আপনার এবং আপনার পরিবারের সদস্যদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে.

বাড়িতে যদি পোষ্য থাকে, তাকেও নিজের থেকে এই সময় দূরে রাখতে হবে. অন্যানদের সাথে হাত মেলানোর বিষয় থাকলে, সেক্ষেত্রে হাতে গ্লাফস পড়ুন. যদি নিজেই সর্দি কাশিতে আক্রান্ত হন তো সেই খান থেকেই মুখে মাস্ক পড়তে শুরু করুন. আর হ্যা নিজের হাত তিন ঘন্টা অন্তর অন্তর স্যানিটাইসড করুন.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।