কেন পালন করা হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস? (What is the purpose of celebrating World Mental Health Day?)

বর্তমানে দুশ্চিন্তা মানসিক চাপ কমবেশী সবারই থাকে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যহত হতে পারে। আর এই দুশ্চিন্তার কারণেই হার্টের সমস্যা, অনিদ্রা, পেটের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এইগুলো দেখা যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু জটিল রোগের উৎস হলো দুশ্চিন্তা। এজন্য যতটা সম্ভব দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। সমস্ত রোগের চিকিৎসা করলেও আমরা অনেকেই মানসিক অসুস্থতার দিকে মনোযোগ দিই না। দেশে আনলক ৪ চালু হয়ে গেলেও, করোনা কালে আমরা এখনও অনেকেই ঘরবন্দী এবং অনেকেই অফিস ওয়ার্কের জায়গায় ওয়ার্ক ফর্ম হোমকেই বেছে নিয়েছি। এক্ষেত্রে দিনে দিনে মানসিক অবসাদ আরও বেড়েই চলেছে। আমরা মোটামুটি কেউই মানসিক ভাবে সুস্থ নই৷

কেন পালন করা হয়?

মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সকলের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়। অনেক সময় মানসিক অবসাদ বা মানসিক সমস্যা এতোটাই বেড়ে যায় যাতে করে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। আর এমন পরিস্থিতিতেই বিশ্বকে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই দিবসটি পালিত হয়।

১) মানসিক স্বাস্থ্যের উপর কোভিডের প্রভাব :

গত কয়েকমাস ধরেই করোনা আবহে ঘরবন্দী অবস্থায় মানসিক অবসাদ বেড়েই চলেছে। দেশে আনলক ৪ এসেও সমাজিক দূরত্ব বিধি মানতে গিয়ে অনেকেই একে অপরের থেকে মানসিক দূরত্বও বাড়িয়ে ফেলছেন। এতে আত্মহত্যার প্রবনতাও বেড়ে চলছে সকলের মধ্যে। ফলে জাতিসংঘের কথায়, কয়েকদশক এইভাবে চললে সকলের মানসিক স্বাস্থ্য দূর্বল হয়ে যেতে পারে। যদি এইটি নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তবে এইটি আরও উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠবে।

২) বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য :

মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতেই বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপিত করা হয়। অনেকেই বিভিন্ন কারণে উদ্বেগ এবং হতাশা থেকে মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হন এবং এটি ধীরে ধীরে এতটাই বেড়ে যায় যে তারা আত্মহত্যা করতেও পিছু হাঁটে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকে মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করাতেই এই দিবসটি পালিত হয়।

আরো পড়ুন –

৩) অনলাইন কাউন্সিলিং মানসিক স্বাস্থ্যকে কিভাবে সহায়তা করবে?

আমরা কম বেশি সকলেই নানা কারণে মানসিক সমস্যায় ভুগছি। ফলে এমন অনেকেই আছে, যারা কাউকেই তাদের মানসিক অবসাদের কথা বলে উঠতে পারে না এবং এই সময় অনেকেই করোনার কারণে বাইরে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতেও ভয় পাচ্ছেন। ফলে তাদের জন্য অনলাইন কাউন্সিলিং করাটা খুবই লাভজনক। এইখানে আপনি খোলামেলা ভাবে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ নিতে পারবেন। এমনকি আপনি আপনার পরিচয়ও গোপন রাখতে পারবেন। ফলে অনলাইন সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করাটাই সঠিক সিদ্ধান্ত।

৪) Spark.live-এ আপনি আপনার প্রিয় মনোবিদের কাছ থেকে পরামর্শ নিন :

Spark.live একটি দুর্দান্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এইখানে এমন অনেক অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ আছেন যাঁরা আপনার সমস্যাটিকে খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন। আপনি এই প্লাটর্ফমে বিশেষজ্ঞ শ্ৰীতম ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। স্ট্রেস, উদ্বেগ, ডিপ্রেশন, প্যানিক এটাক এবং একাকীত্ব পরিচালনা করার জন্য কাউন্সেলিং এবং টক থেরাপির মাধ্যমে আপনার সমস্যার সমাধানে তিনি সাহায্য করবেন। এইসময় মানসিক চাপ, হতাশা, রাগ, অন্যের প্রতি সংঘাত বেড়েই চলে ফলে এই সমস্ত সমস্যার সমাধানের জন্য আপনি Spark.live-র প্ল্যাটর্ফম বেছে নিতেই পারেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।