বিয়ের কার্ড তৈরির আগে কিছু স্পেশাল টিপস ! (Tips for making unique wedding cards)

  • by

বিয়ে হলো এক পবিত্র ব্যাপার যা অনেক নিয়ম রীতি মেনে হয়ে থাকে, বিয়ের সঙ্গে শুভ অশুভ বেপারটা জড়িয়ে থাকে ভীষণভাবে , কোন কাজ করলে শুভ ফল পাওয়া যাবে আবার কোন কাজে সমস্যা তৈরী হবে সব আমরা ভালো করে দেখে নিয়েই বিয়ের প্ল্যানিং করি. বিয়ে পাকা হলেই দুই বাড়ি থেকেই বিয়ের কার্ড তৈরী করতে দেন, কিন্তু বাইরের চাকচিক্য মাথায় রাখলেই শুধু চলবেনা মনে রাখবেন বিয়ের কার্ড দিয়েই কিন্তু আপনার বৈবাহিক জীবনের শুভারম্ভ হচ্ছে , সুতরাং সেটিকে অবহেলা করবেননা।

১) বিয়ের কার্ডের আকার –

আজকাল অনেকরকম আকারের কার্ড পাওয়া যাই কিন্তু আগেকার দিনে যেমন আয়তাকার কার্ড তৈরী হতো সেটাই মেনে চললে ভালো।

২) পাত্রপাত্রীর ছবি –

আজকাল ডিজিটাল কার্ড এর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে চারিদিকে, সেখানে দেয়া হচ্ছে পাত্র পাত্রীর ছবি. এটা করতেও বারণ করছেন বিশেষজ্ঞেরা , যারা আপনার ক্ষতি চান তাদের কু নজর নাকি পড়তে পারে এর দ্বারা।

৩) কার্ডের রং –

কোনো ধূসর রঙের কার্ড ব্যবহার করা একদম উচিত নয় , যেকোনো ব্রাইট কালার এর কার্ড যেমন লাল নীল বেগুনি গোলাপি বেছে নিতে পারেন।

৪) সুগন্ধি কাগজ –

যদি পারেন বিয়ের কার্ড চন্দন, গোপাল বা জুই এর গন্ধে মাখা কোনো কাগজ দিয়ে তৈরী করতে পারেন ,ফুলের গন্ধ সব অশুভ শক্তি বিনাশ করে দেয়.

৫)দেবদেবির ছবি –

অনেকেই চান তাদের ছেলে মেয়ের নতুন জীবন শুরু হোক দেবদেবির আশীর্বাদ নিয়ে তাই কার্ড এ দেবদেবির ছবি প্রিন্ট করান কিন্তু সেইসকল ছবিও একটু সাবধান হয়েই নির্বাচন করা দরকার।

৬)কোন ছবি দেবেন না-

গনেশ এর ছবি খুব শুভ কিন্তু নৃত্যরত গনেশ এর ছবি দেবেননা , রাধাকৃষ্ণ বা শিবের ছবিও বিয়ের কার্ড এ দেওয়া ঠিক নয়।

এই টিপসগুলি মাথায় রেখেই নিজের বিয়ের কার্ডটিকে চির স্মরণীয় করে তুলতে দিন এই নতুনত্বের ছোঁয়া. আপনার স্মরণে তো থাকবেই, দেখবেন নিজেদের বিয়েতে কার্ড এর বিষয়ে আপনার থেকেই টিপস নিচ্ছেন অনেকে.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।