মানসিক স্বাস্থ্যের উপর সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব (The impact of social media on mental health)

বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের জীবনের সঙ্গে অঙ্গ আঙ্গিকভাবে জড়িয়ে পড়েছে, এর যেমন বেশ কিছু ভালো দিক রয়েছে তেমনই এর ক্ষতির মাত্রাও বেশ অনেকখানি।

কথাটা শুনে প্রথমে একটু অবাক লাগতে পারে বা আশ্চর্য হওয়ারই কথা। সংসারে নানা ঝামেলা লেগেই থাকে, তার সঙ্গে থাকে বাইরের জগতের চাপ। জীবন এখন অনেক জটিল হয়ে গেছে। তাই মানসিক চাপ বা অবসাদ আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমত অবস্থায় কী করা উচিত বললেই আপনি বলবেন ডাক্তারের কাছে যাওয়া দরকার, সেটা নিশ্চয়ই জরুরি। অবসাদ যদি খুব গভীর হয় তাহলে অবশ্যই যাবেন ডাক্তারের কাছে। কিন্তু তার আগে নিজে থেকে কিছু চেষ্টা করা দরকার, মন খারাপ হলেই যদি আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটাই তাহলে মন ভালো হবার পরিবর্তে কালো অন্ধকার নেমে আসে মনে

পারস্পরিক দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করুন

Spark.Live এর স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন পরামর্শের জন্য লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/mindfulness-online-session-in-bangla-with-priti-dey

বাড়ির মানুষদের সঙ্গে সারাদিনে কথা বলার সময় করে উঠতে পারেননা অথচ যেটুকু সময় পাচ্ছেন সোশ্যাল মিডিয়ার আপডেটের দিকেই চোখ দিয়ে রয়েছেন। কিন্তু এভাবে চললে কিন্তু অবসাদের কবলে পড়তে বেশি দেরি থাকবেনা আপনার, কিছুটা সময় একটু নিজের ভালোবাসার মানুষটার সঙ্গে কাটানোর চেষ্টা করুন যখন সোশ্যাল মিডিয়ার কোনও আপডেট চেক করা যাবে না। কোনও মেসেজ বা হোয়াটস্অ্য়াপ এলেও তা এড়িয়ে চলতে হবে। সবচেয়ে ভাল হয়, ফোন বন্ধ করে রাখলে। কিন্তু সকলের ক্ষেত্রে হয়তো তা সম্ভব নয়। তাই কিছুখুনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া একদম বন্ধ রাখা খুবই জরুরি। খুব প্রয়োজনীয় দু-একটা নম্বর বিশেষ স্ক্রিন সেভার দিয়ে সেট করুন। যাতে মোবাইলের স্ক্রিন সেভার দেখে আপনি বুঝতে পারেন এমার্জেন্সি।

শো অফ করা চলবেনা

Spark.Live এর স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন পরামর্শের জন্য লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/keep-your-soul-happy-online-bangla-consultation-session-with-psychologist-somdutta-banerjee

সোশ্যাল মিডিয়া অনেকের কাছেই শো অফের মাধ্যম। সম্পর্ক ভাল রাখতে গেলে সেটা একেবারেই বন্ধ করে দিতে হবে। কারণ আপনার এই অভ্যেস থাকলে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তেও অবচেনতে ভাববেন, কতক্ষণে সোশ্যাল ওয়ালে আপনাদের ঘনিষ্ঠ ছবি আপলোড করবেন, অথবা কোনও স্টেটাস আপডেট দেবেন। সঙ্গীর সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত এনজয় করার দিকে মন থাকবে না। এই করে দুজনের মধ্যে বিপুল দূরত্ব তৈরী হতে থাকবে যার ফলস্বরূপ অবসাদ মনের মধ্যে বাসা বাঁধবে। মনোচিকিৎসকদের একটা বড় অংশ এই বিষয়ে একমত। শো অফের আরও একটা সমস্যা হল, হয়তো সোশ্যাল ওয়ালে কোনও দম্পতির কোনও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি দেখে আপনার ভাল লেগেছে। অবচেতনে পার্টনারকেও সেভাবে ছবি তোলার জন্য জোর করে ফেলবেন আপনি। এতে আপনাদের সম্পর্ক তিক্ত হতে থাকবে ধীরে ধীরে। মনে রাখবেন, প্রত্যেকটা সম্পর্কের গল্পই আলাদা। আর ভার্চুয়াল জগতে বাঁচা যায় না কখনোই। আনন্দের মুহূর্ত খুঁজে নিন রিয়েল লাইফে, শুধু লোক দেখানোর মানসিকতা নিয়ে চললে সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরবে।

বেড়াতে যান নিজেকে অফলাইন রেখে

Spark.Live এর স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন পরামর্শের জন্য লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/reduce-stress-anxiety-fear-depression-through-psychological-counselling-srimonti-guha

আসলে সোশ্যাল মিডিয়াকে নিজের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে না ফেলাটা অনেকটাই আপনার নিজের হাতে। শুধু যৌন জীবনে সোশ্যাল মিডিয়ার কু প্রভাব রয়েছে, তা কিন্তু নয়। জীবনের অন্যান্য সম্পর্কের ক্ষেত্রেও এটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য। তাই নিজে সাবধান হওয়াটা জরুরি। কিন্তু কারও ক্ষেত্রে বিষয়টা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সেখান থেকে নিজে বেরিয়ে আসা সম্ভব হয়না। তাই নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অফলাইন রেখে বেড়াতে যাওয়ার সাহায্য নিতে পারেন। অর্থাৎ বেড়াতে যান পার্টনারের সঙ্গে, কিন্তু সঙ্গে কোনও গ্যাজেট নেবেন না বা নিলেও দিনে একবার পরিবারের খোঁজ খবর নিয়ে আবার অফ করে রাখবেন।আবারও এটা কতটা মেনটেন করতে পারবেন, তা নির্ভর করবে আপনার উপরেই। যদি একান্তই গ্যাজেট ছাড়া বেড়াতে যাওয়া সম্ভব না হয়, তারও উপায় রয়েছে। কিছু কিছু হোটেল গ্যাজেট নিয়ে চেক-ইন করতে দেয় না। আপনারও তেমন হোটেলই বেছে নিন। তাহলে অন্তত ছুটির মুহূর্তটা একান্ত কাটাতে পারবেন। পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে যা আনন্দ পাওয়া যায় তা আর অন্য কিছুতেই আপনি খুঁজে পাবেন না হাজার চেষ্টা করলেও, তাই প্রতিটা মুহূর্তের আনন্দ উপভোগ করার চেষ্টা করুন।

Spark.Live এর স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন পরামর্শের জন্য লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/online-mental-health-counselling-in-bangla-with-ankhee-gupta

তাই এবার থেকে চেষ্টা করুন সোশ্যাল মিডিয়ার খারাপ প্রভাব যেন আপনার জীবনে না পড়তে পারে, যদি একান্তই নিজেরা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে না পারেন তাহলেও ভয়ের কিছু নেই, Spark.Live এ রয়েছেন স্বনামধন্য সব মনোবিদেরা যারা আপনাদের মনের এই সকল জটিলতাকে কাটিয়ে তুলতে আপনাদের সাহায্য করবে এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ভালো দিক গুলোই তখন আপনার উপর প্রভাব বিস্তার করবে। Spark.Live এর স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন পরামর্শের জন্য লিংকগুলিতে ক্লিক করে পরামর্শ নিতে পারেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।