কোন লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন আপনার সম্পর্ক শেষের পথে? (Signs that your relationship has come to an end)

আসলে আমরা সকলেই কোনো ভালোবাসার সম্পর্কে নিজেদের জুড়ে রাখি কেন জানেন? শুধুমাত্র ভালোবাসা পাওয়ার জন্য, ভালো থাকার জন্য। কিন্তু যদি সেই সম্পর্কে আসতে থাকে বিরক্তি, জন্ম নেয় অস্বস্তি, তাহলে আপনার কিন্তু এইবার চিন্তা করা উচিত বিষয়টিকে নিয়ে। কারণ সম্পর্ক যখন তিক্ত হয়ে যায়, তখন হাজারো চেষ্টা করেও আগের মতন মাধুর্য্য ফিরিয়ে আনা খুবই কষ্টকর। কথায় আছে না, সম্পর্কে ভাঙন ধরলে, সেই সম্পর্ক না জোড়াই ভালো।

মাথায় রাখবেন, যে কোন ঘটনায় ঘটার আগে কম বেশি কিছু ইঙ্গিত দেয়। তেমনি একটি দীর্ঘদিনের ভালোবাসার, সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোর, একসাথে দীর্ঘ দিন কাটানোর সম্পর্ক কখনোই একদিনে ভেঙে যায় না। সম্পর্ক ভাঙার আগে সবসময়ই কিছু ইঙ্গিত দেয়। সেগুলিকে আমরা গুরুত্ব দিনা। ওই সামান্য বিষয়ে পাত্তা দিতে গেলে আমরা নিজেরাই নিজেদের ম্যাচুরিটি লেভেলকে প্রশ্ন করে বসি, সেটি যতই আমাদের মনের কোন স্থানে সামান্য আঘাত দিক নাই বা কেন. আর ওই আঘাতে মলম লাগানোর প্রয়োজনীয়তা নেই মনে করেই, কখন যে আঘাতটি একটি বড় ক্ষততে পরিণত হয়, আমরা টেরই পাই না।

ভারতের স্বনামধন্য, বিখ্যাত মনোবিদ এবং কাউন্সিলারদের সাথে নিজের সমস্যাগুলি শেয়ার করুন এবং সমাধান পান, এই লিংকে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/keep-your-soul-happy-online-bangla-consultation-session-with-psychologist-somdutta-banerjee/

কোন লক্ষণগুলি আছে বলুন তো যেগুলি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার অভ্যাস দিতে থাকে-

১। বিরক্তি-

আগেই যেমন বললাম, দুজন দুজনকে দেখলেই যদি একটা বিরক্ত বোধ করেন, কেউই কারোর কোম্পানি পছন্দ না করেন, মানে একসাথে একটু সময় কাটানোর থেকে দুজন নিজের নিজের মুঠোফোনটিতে মাথা গুঁজে পরে থাকতে বেশি ভালোবাসেন, তাহলে কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে, যে আপনার সম্পর্কে সেই চার্মটি নেই।

2। অবহেলা-

ভারতের স্বনামধন্য, বিখ্যাত মনোবিদ এবং কাউন্সিলারদের সাথে নিজের সমস্যাগুলি শেয়ার করুন এবং সমাধান পান, এই লিংকে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/mindfulness-online-session-in-bangla-with-priti-dey/

পার্টনারের সব ছোটোখাটো বিষয়, যেগুলি আগে আপনার মনে রাখতে একটুও অসুবিধা হতো না। বরং সেটিকে স্পেশাল করার চিন্তায় মাথায় ঘুরে বেড়াতো, এখন কাজের চাপই হোক বা অন্য কোন কারণে বেমালুম ভুলে যাচ্ছেন, বা কিছুটা ইচ্ছা করেই দিনটাকে আর পাত্তা দিচ্ছেন না। তাহলে কিন্তু আপনাকে বুঝতে হবে আপনার সম্পর্কের মধ্যে একটি অদৃশ কিন্তু বেশ শক্ত একটি দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, মানসিক দূরত্ব।

৩। অপমান ও ঝগড়া-

ঝগড়া কোন সম্পর্কে হয় না বলুন তো। কথায় আছে ঝগড়া সম্পর্ককে আরো অটুট করে। কিন্তু অতিরিক্ত ঝগড়া কিন্তু সম্পর্ককে বিষিয়ে দে। আপনার সম্পর্কে যদি জায়গা করে নেয় ঝগড়া আর তার জেরেই আপনার পার্টনার আপনাকে অপমান করতেও পিছ পা হচ্ছে না, তাহলে সম্পর্ক কিন্তু শেষের পথে।

৪। অজুহাত –

যে কোনো অজুহাতেই আপনার সাথে সে সময় কাটাতে চাইছে না, সে বসে একসাথে ফিল্ম দেখা হোক বা বাইরে ডিনার করতে যাওয়া। এই সকল লক্ষণগুলি যদি আপনাদের সম্পর্কে দেখেন তাহলে একটু সতর্ক হন।

সাইকোলজিস্টদের মতে, জীবনের অনেকগুলো ধাপ একসাথে কাটাতে গেলে, এই ধরণের সমস্যা আসবেই। অনেক সময়েই মনে হতে পারে, সব শেষ, সব ছেড়ে বেরিয়ে যাই। কিন্তু বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত কিন্তু অনেক বড় একটি বিষয়। তাই এই ধরণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, বারংবার দুজনে পাশে বসে কথা বলুন, এবং খোলাখুলি ভাবে কথা বলুন। সাহায্য নিন কাউন্সিলার বা মনোবিদের, যারা আপনাকে সঠিক ভাবে গাইড করতে পারবেন। তারা আপনাকে সাহায্য করবেন, ঠিক কোন জায়গায় সমস্যা হচ্ছে তা জানতে এবং বুঝতে।

আজই Spark.Live -এর মনোবিদ এবং কাউন্সিলারদের সাথে যোগাযোগ করুন আর আপনার সম্পর্ককে আবার হাসি-খুশি- ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলুনhttps://spark.live/consult/online-mental-health-counselling-in-bangla-with-ankhee-gupta/

এইবার প্রশ্ন আসে কোন সাইকোলজিস্ট বা কউন্সিলারের কাছে যাবো, কারণ অনেক বিষয়গুলির এতটা গোপনীয় হয়, যে সকলের সাথে তা শেয়ার করার মতো মানসিকতাও আমাদের থাকে না। সব সময় মনে হতে থাকে, যাকে বলছি সে কি বুঝতে পারছে আপনার সমস্যাগুলি। এই বিষয়ে একমাত্র আপনাদের আশার আলো দেখাতে পারে Spark.Live। বাড়িতে বসেই নিজের মুঠোফোনের একটি ক্লিকের মাধ্যমেই আপনি সরাসরি পৌঁছে যেতে পারবেন ভারতের খ্যাতনামা মনোবিদ ও কউন্সিলারদের কাছে। আর ভিডিও ও অডিও কন্সালটেশনের মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধান পাবেন অনায়াসেই।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।