আত্ম-নির্ভরতাই হল স্বাধীনতার নতুন সংজ্ঞা (Self-Reliance: New definition of Independence in India)

স্বাধীনতা ,মানেটা জানেন না এমন কথা বলা বা ভাবাটাই নিছক বোকামি। হ্যাঁ দেশ স্বাধীন হওয়ার ৭৪ বছর পর যদি কেউ আপনাকে এই প্রশ্নটি করে বসে তাহলে, আপনার তাই মনে হতে পারে, কি তাই তো? ভারত কবে স্বাধীন হয়েছে, কিভাবে স্বাধীনতা পেয়েছে এইগুলি ইতিহাসের পাতায় স্পষ্ট এবং বিশদে লেখা আছে, এছাড়া ইন্টারনেটে খুঁজলেও, পেয়ে যাবেন যথার্থ তথ্য। তাই এই নিয়ে নতুন করে আর কিছু লেখালেখি করছি না। আজ বরং নিজের লেখার বাধনটিকেও একটু স্বাধীনতার স্বাদ বুঝতে দি। কেমন?

আজ আমার লেখার টপিক মানে বিষয়-বস্তু স্বাধীনতা, কিন্তু চলুন এই স্বাধীনতা বা স্বাধীনতা-দিবসটির প্রসঙ্গকেই একটু নতুন ছন্দে দেখার চেষ্টা করি। দেখাই যাক না একটা চটপট সার্ভে করে আমরা এখনো কতটা স্বাধীন হয়েছি, অথবা স্বাধীনতার নতুন সংজ্ঞাটাই বা কি?

স্বাধীনতার নতুন সংজ্ঞা –

আজই লগ-ইন করুন –https://spark.live/bengali/consult/

করোনাতে বিপর্যস্ত গোটা দেশটার কাছে এখন স্বাধীনতার নতুন সংজ্ঞা একমাত্র আত্ম-নির্ভর হয়ে ওঠা। প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে। অনেকেরই মনে হতে পারে, কি আজে-বাজে কথা বলছি আমি, কারণ যখন নিজেই স্বীকার করছি দেশ এখন বিপন্ন করোনার প্রশস্থ থাবায়, মানুষ বাঁচবে না মরবে তার ঠিক-ঠিকানা নেই, বাইরে বেরোলেই মনে হচ্ছে আজ বাড়ি ফিরলেই বুঝি অসুস্থ হয়ে পড়ব।

এই মুহূর্তে দেশজুড়ে চাকরি তথা অর্থনৈতিক পরিস্থিতি-

আবার অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দেখতে গেলে যে হারে প্রতিটাদিন মানুষের অন্নসংস্থানের পথ হারিয়ে যাচ্ছে, ছাটাই চলছে, এমনকি বহু কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে, সেখানে অর্থ-সংস্থানই নেই, যে মানুষটা মাস গেলে ১৫ হাজার টাকা উপার্জন করতেন এখন মাসে পাঁচ হাজার টাকা আয়ের আশায়, হয় সবজি বিক্রি, মাছ বিক্রি বা নানারকম ফেরির ব্যবসায় জুড়তে হয়েছে। তারপরও কি করে আত্ম-নির্ভর হওয়ার চিন্তা আসে? নিজের ও নিজের পরিবারের ব্যায়ভার নির্ভর করা যেখানে চ্যালেন্জিং, সেখানে এই প্রসঙ্গটি নিছকই হাস্যকর।

অদ্ভুত জটিলতা –

এই তো গেল যাদের চাকরি আর নেই, তাদের কথা, এইবার আসা যাক যাদের চাকরি এখনও বেঁচে আছে তাদের কথায়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে বটগাছের মতো দাঁড়িয়ে থাকা প্রাইভেট বা স্টার্টআপ কোম্পানিগুলি ক্রমশ ছোট করে তুলেছে নিজেদের টিম। শুধুমাত্র ব্যাভার কমিয়ে আনার জন্য তারা বাধ্য হয়েছেন কর্মী ছাটাইতে, কিন্তু বাঁধ সেধেছে যে কর্মীরা এখনও কাজ হারান নি, বা বলবো টিম থেকে উৎখাত হননি।

আরো পড়ুন- https://indianexpress.com/article/technology/social/how-indian-app-makers-are-filling-in-the-gap-for-tiktok-6539120/

কাজ বাঁচানোর তাগিদে অফিসের হঠাৎ কমিয়ে দেওয়া মাইনেতে দাঁতে-দাঁত চিপে কাজ করতে হচ্ছে, তাও একা হাতে সামলাতে হচ্ছে একাধিক ডিপার্টমেন্টের কাজ। চুপচাপ নিজেকে মানিয়ে নিতে হচ্ছে প্রতিদিনের পরিবর্তিত মার্কেটিঙ স্ট্রাটিজিতে, কারণ এই মুহূর্তে আপগ্রেডেশন ছাড়া কোনো কোম্পানিই যে টিকতে পারবে না, কারণ বিদেশী লগ্নি তুলনামূলক ভাবে কমে গেছে। তাই অন্য ডিপার্টমেন্টের হওয়া স্বত্তেও এই অদ্ভুত সময়টিতে একেবারে বিপরীত ডিপার্টমেন্টের স্কিলেও নিজেকে শিক্ষিত করে তুলতে হচ্ছে রাতারাতি। একসাথে অনেক কিছু নতুন শিখায় যদি আপনি নিজের পারদর্শিতা না দেখতে পারেন, তাহলেই কুপোকাত। তাই এখন একটা অপশন – “Do or Die”। এইবার বলুন দেখি কে ভালো আছে, যার চাকরিটা গেছে না যার প্রতিদিন যুদ্ধ করতে হচ্ছে নিজের চাকরি বাঁচানোর খেলায়।

দেখে নিন অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমগুলি Spark.Liveকে নিয়ে কি বলছে — https://indianexpress.com/article/technology/social/how-indian-app-makers-are-filling-in-the-gap-for-tiktok-6539120/

জীবনে বিদেশী প্রভাবই সর্বাধিক দায়ী –

আরেকটি দিকে তো আলোকপাত করাই হলো না। এই যে করোনার ফলে আমাদের সর্বাধিক বিপর্যয়ের মুখ দেখলো দেশের অর্থনৈতিক, কেন জানেন? কারণ আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিদেশী লগ্নি, বিদেশী টেকনোলজি এবং বিদেশকে সার্ভিস প্রদানের কাজের বিনিময়ে টাকা পেতে অভ্যস্ত। অর্থনৈতিক তো দূরে থাকে, নিজেদের উচশিক্ষায় শিক্ষিত করতেও আমাদের কাছে বিদেশে পড়াশোনা করা বেশি প্রেফারেবল। সেখানে আমাদের সমস্যায় পড়াটা আশা করি খুব স্বাভাবিক ছিল। কারণ বিদেশী প্রভাব থেকে আমরা যে একেবারেই স্বাধীন হয় নি। সেলিব্রেশনের দিক গুলি দেখে নিন সেখানেও থাবা বসিয়েছে বিদেশী কালচার। জন্মদিনে পাঁচ রকমের ভাজার সাথে, পায়েস খাইয়ে আশীর্বাদ করাটা বড্ডো ব্যাকডেটেড, কিন্তু বড়ো একটা ডিলিসিয়াস কেক না এলে জন্মদিন পূর্ণতা পায় না, নববর্ষ যেভাবেই পালন হোক না কেন, নিউ ইয়ার সেলিব্রেটটা কোনোমতেই ফিকে হতে দেওয়া যায় না। -এটাকেই বলছেন স্বাধীনতা?

আত্ম-নির্ভর হওয়ার প্রধান কারণ-

দেশ ও নিজেকে স্ব-নির্ভর করতে মোবাইলে আজই ডাউনলোড করুন – https://play.google.com/store/apps/details?id=com.tamilsouthnews

ঠিক এই জন্যই বলছি আত্ম-নির্ভর হওয়ার কথা। কারণ, আমরা নিজেদের ‘কুল’ তৈরী করার দিকে না এগিয়ে যদি নিজেদের বর্তমান পরিস্থিতিটিকে স্বীকার করে নি, একমাত্র তখনই আমরা নিজেদের অর্থনৈতিক অবস্থানে কিছু পরিবর্তন আনতে পারব। বিশ্বাস করুন এই অর্থনৈতিক সংকট একমাত্র কাটতে পারে যদি আমরা আমাদের উপার্জনের ব্যবস্থা নিজেরাই করি নিজেদের তৈরী বা আমাদের দেশের তৈরী সামগ্রীর মাধ্যমে। যেমন আপনাকে এই কঠিন পরিস্থিতিতে খুঁজে বের করতে হবে নিজের গুন্ আর ভুল গুলিকে তেমনি সাহস দেখাতে হবে দেশের উন্নতির সম্ভাবনাগুলিকে। ভরসা দেখাতে হবে দেশের প্রোডাকশন সাগ্রহে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে। কঠিন, অবশ্যই কঠিন, কারণ রেভোলুশন এর পথ সবসময়ই কঠিন হয়, ঠিক যেমন কঠিন ছিল ভারতের স্বাধীনতা পাওয়ার পথ। তাই কঠিন হলেও, একবার নিজেরাই নিজেদের সেল-সাফিসিয়েন্ট করে তুললে আর কোথাও আমাদের সাহায্য চাইতে হবে না।

আত্ম-নির্ভরতার নতুন ভরসা Spark.Live অ্যাপ

শুধু মুখে বললেই তো হবে না, কাজেও করে দেখতে হবে আমাদের, কি তাই তো? দেশের মধ্যেই থাকবে সবরকম সুযোগ-সুবিধা, কোনো অত্যাধুনিক সুবিধার জন্য বাইরের দেশের ওপর ভরসা না করাকেই বলা হচ্ছে দেশকে আত্ম-নির্ভর করে তোলা। আবার যদি ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্লেষণ করা হয় তো হবে- নিজেকে যথার্থ ভাবে তৈরী করে নিজের উপার্জনের দায়িত্ব নিজেই নেওয়াকে বলা হচ্ছে আত্ম-নির্ভর হওয়া। আর এই সমস্ত বিষয়ে যে আপত্তি বিশেষ ভাবে ভারতকে এবং ব্যক্তি-সাধারণকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সেটি হল- Spark.Live অ্যাপ। ভারতের নিজস্ব অ্যাপ যেটি আপামর ভারতবাসীকে বা বলা চলে ভারতের সকল ভাষাভাষির মানুষকে এক সূত্রে বেঁধেছে। এটি একটি অনলাইন কন্সালটেন্সি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে অতি সামান্য মূল্যে আপনি অনলাইনে পরিষেবা নিতে পারেন দেশের বিখ্যাত

আজই লগ-ইন করুন –https://spark.live/bengali/consult/
  • -সাইকোলজিস্টদের,
  • -কাউন্সিলারদের,
  • -ডায়টেশিয়ানদের,
  • -যোগব্যায়াম প্রশিক্ষণ,
  • -নৃত্য প্রশিক্ষক,
  • -সংগীত বিশারদ,
  • -জ্যোতিষ,
  • -প্রাণিক হিলিং সহ একাধিক ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের।
  • -বাড়িতে বসেই হাতের সেলাই,
  • -চাকরির জন্য স্কিলকে বাড়িয়ে তোলা,
  • -স্পোকেন ক্লাস,
  • -ক্যারাটে ক্লাস,
  • -মার্শাল আর্টস ক্লাস,
  • -মেয়েদের সেলফ-ডিফেন্স ক্লাস,
  • -আবৃত্তি
  • -এমনকি ড্রইং এর মতন প্রশিক্ষণ নিতে পারবেন নিজের সময় অনুসারে।

যুগান্তকারী অ্যাপ-

এই মুহূর্তে এই অ্যাপটি যে মাত্রায় যুগান্ত সৃষ্টি করেছে তা সত্যি দেখবার মতন। আগে যতগুলি অনলাইন কনসালটেন্সি প্ল্যাটফর্ম তৈরী হয়েছে সবটাই গ্লোবাল ল্যাঙ্গুয়েজে নিয়ে, কিন্তু নিজের পছন্দের ভাষায়, বাড়িতে বসে বা অফিসে বা যে কোনো জায়গার থেকে শুধুমাত্র অনলাইনে জুড়ে নিজের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। ফলে আপনি যদি অত্যাধুনিক পরিষেবার জন্য নিজের দেশের বিশেষজ্ঞদের ওপরই নির্ভর করেন, তো সেটা তো পরোক্ষভাবে সাহায্য করাই হল দেশকে আত্ম-নির্ভর হতে।

দেশ ও নিজেকে স্ব-নির্ভর করতে মোবাইলে আজই ডাউনলোড করুন – https://play.google.com/store/apps/details?id=com.tamilsouthnews

আবার যদি আপনি Spark.Live-এর একজন বিশেষজ্ঞ হতে চান, তাহলে সেই দিক দিয়েও আপনি নিজেকে এবং দেশকে সাহায্য করবেন, অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে যেতে। Spark.Live-এর নিয়মানুসারে অনলাইনে পরিষেবা প্রদান করে আপনি অর্থ উপার্জন করবেন, আর যেহুতু এটি অনলাইন তাই যে কোন স্থান থেকেই পরিষেবা প্রদান করতে পারেন, তার জন্য আপনার কোথাও যেতে হচ্ছে না, ফলে যাতায়ত খরচ সাথে সময় দুটোই বাঁচছে, তো আয়ও হচ্ছে আর ব্যয় কমছে, তো কিছুটা ধাপ এগোনো গেল তো আত্ম-নির্ভর হওয়ার পথে। তো আজই নিজের ও দেশের অর্থনীতিকে আরো মজবুত করে তুলতে, দেশকে শুধু করোনা মুক্ত নয় এই অর্থনৈতিক সমস্যার পরাধীনতার থেকে মুক্ত করতে, এক নতুন স্বাধীন ভারতের অঙ্গীকারে হাত মেলান Spark.Live-এর সাথে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।