ওজন কমানোর জন্য সঠিক ডায়েট হল অন্যতম সহজ পথ (Proper diet is one of the easiest ways to lose weight)

আজকাল আমাদের সকলের মধ্যে এক প্রধান সমস্যা হল মোটা হয়ে যাওয়ার সমস্যা। অনেক চেষ্টা করেও কিছুতেই ওজন কমাতে পারছি না আমরা অনেকেই। কী করে একটু রোগা হওয়া যায়, এ সব কথা এখন দৈনন্দিন জীবনের অঙ্গ। তবে মোটা হওয়াটা বড় কোনও বিষয় নয়। মোটা হলে হীনমন্যায় ভোগাটাও কোনও কাজের কথা নয় বরং সুস্থ্য থাকাটা আবশ্যক। রোগা হোক কিংবা মোটা সুস্থতার দিকেই আমাদের নজর রাখা উচিত।

নানান এক্সপেরিমেন্ট

Spark.Live এ কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকার সঙ্গে অনলাইন সেশনের জন্যে লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/nutrition-for-weight-loss-and-pcod-with-ritika-bose-bangla

ওজন কমাতে গেলে এক এক জন এক এক রকম পদ্ধতি ট্রাই করেন। কেউ ভীষণ কড়া ডায়েটে থাকেন, আবার কেউ যা ইচ্ছে তাই খান কিন্তু ওয়ার্কআউট করে টোনড ফিগার বজায় রাখেন। আবার কেউ বা ডায়েট এবং ওয়ার্কআউট দুটোই মেনটেন করেন।

আপনি হয়তো এসবের একটা দলেও পড়েন না। এক সপ্তাহ ডায়েট করার পরই বিরিয়ানি বা কোল্ড ড্রিংসের জন্য আপনার মন কেমন করে এবং খেয়েও ফেলেন, অথবা তিন দিন ওয়ার্কআউট করার পর এত পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েন বা এত গায়ে ব্যাথা হয়, আর এনার্জি পান না। যদি আপনার ক্ষেত্রেও এটাই সত্যি হয়, তাহলে আপনার জন্য কিন্তু আরও একটা পথ রয়েছে।

সঠিক সময় বুঝে খান

খাওয়ার সময় অনেকেই আমরা অযথা বেশি খেয়ে ফেলি, সেটা বন্ধ করার কিছু সহজ উপায় আছে যেগুলো জেনে নেওয়া দরকার। সেগুলো মেনটেন করলে আলাদা করে ডায়েট করতে হবে না, এটা ঠিক। অথচ বেশি খাওয়ার অভ্যেসটাও বদলে ফেলতে পারবেন।

কি কি করলে ওজন সহজে কমানো সম্ভব

Spark.Live এ কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকার সঙ্গে অনলাইন সেশনের জন্যে লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/nutrition-for-weight-loss-and-pcod-with-ritika-bose-bangla
  • যখন খাবেন তখন একদমই ফোন হাতে নেবেন না, অনেকেই খেতে খেতে গুরুত্বপূর্ণ ইমেল চেক করে নেন। অথবা নেহাতই সোশ্যাল মিডিয়া সার্ফিং চালাতে থাকেন। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এতে দুটো ক্ষতি হয় প্রাথমিক ভাবে। প্রথম, যিনি খাচ্ছেন তিনি খাবারের স্বাদ এনজয় করতে পারেন না। আর দ্বিতীয়, পরিমাণে বেশি খাওয়া হয়ে গেলেও ফোনে ব্যস্ত থাকার কারণে বোঝা যায় অনেক পরে। ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে যায়। তাই খাওয়ার সময় ফোন দূরে রাখুন।
  • হাত দিয়ে খেলে খাবারের স্বাদ অনেক বেশি পাই আমরা, অন্তত আমাদের অভ্যেস তো তেমনটাই। তাতেই তৃপ্তি হয়। আর এই পদ্ধতিতে একটু বেশি খেয়ে ফেলারও সম্ভবনা থাকে। তাই সম্ভব হলে চামচ ব্যবহার করুন। এতে পরিমাণ আপনার কন্ট্রোলে থাকবে।
  • একটু সময় নিয়ে ধীরে ধীরে খান। খাবার চিবিয়ে, তার স্বাদ গ্রহণ করে খেলে উপকার অনেক বেশি। তাড়াহুড়ো করে খেলে হজমের সমস্যা হয়। আবার অনেক সময় বেশি খাওয়ার প্রবণতাও তৈরি হয়।
Spark.Live এ কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকার সঙ্গে অনলাইন সেশনের জন্যে লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/nutrition-for-weight-loss-and-pcod-with-ritika-bose-bangla
  • খেতে বসার আধঘন্টা আগে এক গ্লাস জল খেয়ে নিন। এতে খাওয়ার পরিমাণ আপনার কন্ট্রোলে থাকবে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই পদ্ধতি ফলো করলে নাকি তিন মাসের মধ্যে ওজন অনেকটাই কমিয়ে ফেলা যায়।

কিন্তু আমরা সকলেই জানি আমাদের সকলের শরীরের গঠন আলাদা ধরণের হয়, সেই কারণে ডায়েট চার্টও আলাদা হওয়া বাঞ্চনীয়। একজন সঠিক ডায়েটিশিয়ানের সঙ্গে পরামর্শ করে তবেই ওজন কমানোর পদ্ধতি শুরু করা উচিত। আপনাদের জন্য রইলো একজন বিশিষ্ট ডায়েটিশিয়ানের হদিশ।

কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকা বোস

কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকা বোস ডায়েটিক্স অ্যান্ড নিউট্রিশনাল ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্রাডুয়েশন করেন এবং বহু টলিউড সেলিব্রিটি সহ হাজার হাজার ব্যক্তির প্রশিক্ষণ এবং কাউন্সেলিংয়ের অভিজ্ঞতার সাথে দীর্ঘ ৪ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ করে চলেছেন। তিনি ফোর্টিস গ্রুপ অফ হসপিটালস, তালওয়ালকারস বেটার ফিটনেস গ্রুপের মতো নামী সংস্থার সাথেও যুক্ত ছিলেন। তিনি খুব সাধারণ এবং সহজ পদ্ধতির মাধ্যমে ডায়েট চার্ট প্রস্তুত করেন ফলে তার ফলাফল খুব চটজলদি পাওয়া যায়। পছন্দের খাবার থেকে কখনোই ক্লাইন্টদের দুরে সরিয়ে রাখেন না, তিনি ব্যালান্স করে পুষ্টি বিচার করে উপযুক্ত ডায়েট চার্ট তৈরী করে দেন। বর্তমানে তিনি Spark.Live এ যুক্ত হয়েছেন, যার ফলে আপনারা সকলেই খুব সহজে ওনার সঙ্গে অনলাইন কন্সালটেশন করে নিজেদের ডায়েটের যাবতীয় সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারবেন।

Spark.Live এ কনসালট্যান্ট ডায়েটিশিয়ান রীতিকার সঙ্গে অনলাইন সেশনের জন্যে লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/nutrition-for-weight-loss-and-pcod-with-ritika-bose-bangla

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।