ওষুধ খাওয়ার সময়, এই নিয়মগুলি না মানলে, হতে পারে সমস্যা (Medication Mistake That You Should Avoid)

  • by

দিনের শেষে অনেকগুলি ওষুধ খেতে হয় আপনাকে. মানে বাঁধাধরা রূপে, আবার এই মুহূর্তে আপনার কোনো সমস্যার কারণে, আপনাকে খেতে হয়, একের অধিক ওষুধ. হতেই পারে. কিন্তু ওষুধ খাওয়ার সময়, আপনি চিকিৎসকের পরামর্শ প্রপার অনুসরণ করছেন তো? মানে ঠিক যেভাবে আপনাকে ওষুধ খেতে বলেছে, ঠিক সেইভাবেই খাচ্ছেন তো?

কারণ অনেক সময় করি খানিক ওষুধ খেয়েও, কিন্তু সময় সমাধান হতে দেখা যায় না. কারো সব ওষুধেরই কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে খাওয়ার. তো চলুন দেখে নেওয়া যাক- কোন নিয়মগুলির কথা বলছি-

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম –

১. যদি ধরুন রাতে আপনাকে খাওয়ার পর খেতে হবে মোট চারটি ওষুধ. আপনি কি করেন- একগ্লাস জল নিয়ে, একসাথে চারটি ওষুধ মানে ট্যাবলেট বা ক্যাপসুল একসাথে মুখে পুড়ে নিয়ে জল দিয়ে গিলে ফেলেন. এটা কিন্তু ভুল. দুটো আলাদা গোত্রের ওষুধ একসঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে যে বিরূপ কোনও প্রতিক্রিয়া হবে না, সেই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে না। অনেক ক্ষেত্রেই এমন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কারণে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

২. ওষুধ প্রেস্ক্রাইব করার আগে আপনি ডাক্তারকে সবটাই খুলে বলুন, মানে আপনার কোনো আয়লার্জি আছে কি না তা. কারণ ডাক্তার জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গেলেও, আপনি বলতে ভুলবেন না. আবার ডাক্তার ওষুধ প্রেস্ক্রিব করার পর, একটু গুগল এ ওষুধগুলি সম্পর্কে যাচাই করে নিন, যে তার কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কি না?

৩.প্রত্যেকটা ওষুধেরই একটা কোর্স রয়েছে। সেই সময়সীমা পর্যন্ত নিয়ম মেনে মেডিসিন খেয়ে যেতে হবে। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মানেন না। খেয়াল করে দেখবেন কষ্ট কমে যাওয়া মাত্র অনেকেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। কোর্স শেষ হল কিনা সেদিকে খেয়ালই রাখেন না। আবার অনেকে অনিয়মিত ওষুধ খান। এমন সব অভ্যাস শরীরের জন্য ভাল নয়।

৪.ডাক্তার যে মাত্রায় ওষুধ খেতে বলেছেন। ঠিক সেই মাত্রাতেই খাওয়া উচিত। যদি মনে করেন, বেশি মাত্রায় ওষুধ খেলে শরীর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে, তাহলে ভুল ভাবছেন. কারণ প্রতি ওষুধে মনোবশরীরে ঠিকঠাক কার্যক্ষমতা দেখানোর নির্দিষ্ট মাপ বা ডোস থাকে. বেশি পরিমান খেয়ে নিলে, হিতে বিপরীত হতে পারে. প্রজনের তুলনায় বেশি পরিমান ওষুধ বিক্রিয়াও ঘটাতে পারে.

৫. অনেক সময় অসুখটির থেকে সেরে উঠলেই, মানে এই একটু আগের থেকে শরীর ভালো মনে হলেই, আপনি ভেবেই বসেন যে আপনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছেন. কিন্তু এটা তো হতেই পারে সাময়িক. তাই অনেক সময়েই আমরা রোগটির ফলোআপ করিনা চিকিৎসকদের কাছে.

কিন্তু ভাবুন, চিকিৎসকরা তো কিছু বুঝেছিলো বলেই, আপনাকে ওষুধের কোর্স শেষ করে রিপোর্ট দিতে বলেছিলো. সেই জায়গায় আপনার এই গাফিলতি, ভবিষ্যতে আপনার শরীরে আরো বোরো কোনো সমস্যার জন্য দায়ী হয়ে থাকবে না, সেটা কি বলা যায়?

তাই বলছি, নিজের মাথা বেশি না খাটিয়ে, ভালো সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকতে, ডাক্তারের পরামর্শের অবহেলা করবেন না.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।