নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্য সুন্দর করে তুলুন স্বনামধন্য সাইকোলজিস্ট সোমদত্তার সাথে অনলাইন সেশনের মাধ্যমে (Make your Mental Health better through Online Session with Renowned Psychologist Somdutta Banerjee)

মনের স্বাস্থ্য নিয়ে আমরা অনেকেই সচেতন থাকিনা, হয়তো আমরা মনের চাহিদার কথা অনেক সময় ভুলে যাই নজর দিনা , কিন্তু একটা ভীষণ সত্যি কথা হলো মন ভালো না থাকলে কিছুতেই নিজেদের ভালো রাখা সম্ভবপর হয় না , কখনো না কখনো আমরা সকলেই মনে দুঃখ পাই , বিরক্ত হই অথবা বিষন্ন বোধ করি।  সাধারণত এই অনুভূতি সপ্তাহ দুয়েক থাকে এবং আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কোনো ব্যাঘাত করেনা।  কখনো দুঃখের কারণ থাকে কখনো বা থাকেনা।


ছোটোখাটো মন খারাপের তুলনায় বিষাদ রোগ বা ডিপ্রেশনের অনুভূতি অনেক বেশি যন্ত্রণাদায়ক এবং কষ্টকর, বহু মাস পর্যন্ত মানুষ এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন না হাজার ইচ্ছেতেও।  ডিপ্রেশনের বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে যেমন- ১) সবসময় মন খারাপ করে, ২) কোনো কাজ করতেই ইচ্ছে করেনা বা ভালোলাগেনা, ৩) কোনো ব্যাপারে মনস্থির করতে পারা যায়না ,৪) খুব ক্লান্ত লাগা, ৫) খুব অস্থির লাগা , ৬) খিদে না পাওয়া ও ওজন কমে যাওয়া (কিছু ক্ষেত্রে আবার ঠিক উল্টোটাও হয় অস্বাভাবিক হারে ওজন বৃদ্ধি হয়), ৭) অনিদ্রা বা ঘুম কমে যাওয়া, ৮) সহবাসে অনিচ্ছে , ৯) আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং নিজের উপর আস্থা হারানো, ১০) অন্যদের সঙ্গ বর্জন করা ইত্যাদি।

সোমদত্তা ব্যানার্জি

আমরা আমাদের এই ডিপ্রেশন বা বিষাদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়ি, কিন্তু তাতেও মনোনিবেশ করতে পারিনা সঠিক ভাবে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহজেই এই বিষাদের কারণ খুঁজে পাওয়া যায় যেমন হয়তো এমন কিছু প্রিয় মানুষ বা প্রিয় মুহূর্ত হারিয়ে গেছে যার ফলে হতাশা গ্রাস করেছে। যেকোনো কষ্টকর ঘটনার পর মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক যেমন প্রিয় মানুষের মৃত্যু, বিবাহ বিচ্ছেদ, চাকরি হারানো এই ধরণের।


বেশ কয়েকদিন এই দুঃখ আমরা বয়ে চলি তারপর আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানিয়েনি নিজেদের মনকে। কিন্তু কিছু এমন মুহূর্ত থাকে যখন এই মন খারাপ গুলো থেকে আর কিছুতেই বেরোনো যায়না তখনি বিষাদ বা ডিপ্রেশন বাসা বাঁধে মনের কোনায়।  যদি আমরা একা থাকি, কাছাকাছি আপনজন বা বন্ধুবান্ধব না থাকে তাহলে ডিপ্রেশন হওয়ার সম্ভবনা বেশি হয় মানুষের মনে।


এমন যেসকল রোগ রয়েছে  যাতে মৃত্যু হতে পারে (ক্যান্সার বা হার্ট এর অসুখ ) সেই ধরণের রোগীদের মধ্যে বিষাদের পরিমান অনেকাংশে বেশি দেখা যায়. যে সকল অসুখ দীর্ঘমেয়াদি এবং যন্ত্রণাদায়ক সেই রোগের সঙ্গে ডিপ্রেশনের অঙ্গ আঙ্গিকভাবে যোগাযোগ রয়েছে।


আবার কিছু ক্ষেত্রে জিনগত কারণেও আমাদের ডিপ্রেশন হতে পারে জীবনে। মহিলা পুরুষ নির্বিশেষে সকলেই এই রোগের  শিকার হতে পারে, এমনকি শিশুদের মধ্যেও আজকাল ডিপ্রেশন বাসা বাঁধতে দেখা যায় যা খুবই দুশ্চিন্তার। অনেকসময় এমন কিছু মুহূর্ত তৈরী হয় যখন আর নিজেরা নিজেদের মনের সমস্যা গুলোকে সামলে উঠতে সক্ষম হইনা তখনই প্রয়োজন হয় এমন একজন মানুষের যে মনের না বলা কথাগুলো বুঝে তার সমাধান সূত্র বার করে ফেলবে সহজেই।


সেই কারণে আমাদের প্রয়োজন হয় একজন সাইকোলজিস্ট বা মনোবিদের যিনি আমাদের সমস্যা গুলোকে নিজের মতো করে সমাধান করে আমাদের জীবনকে অনেক সহজ সরল আনন্দময় করে তুলবেন, ঠিক এরকমই একজন মানুষ হলেন- সোমদত্তা ব্যানার্জি।

সোমদত্তা ব্যানার্জি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদ এবং মনোবিদ।  বিগত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার এই জগতে , সোমদত্তা ব্যানার্জি কলকাতার এক প্রাচীন নামকরা স্কুল “অশোক হল “-এর মনোবিজ্ঞানের শিক্ষিকা। সেই সঙ্গে তিনি দীর্ঘ বহুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করে চলেছেন। বিভিন্ন সময়ে মানুষের মনে যে এক অচেনা অজানা অসুখ বাসা বাঁধে তার সমাধান করে চলেছেন খুব সুদক্ষভাবে , তিনি মনোবিদ হিসেবে নিয়মিত বিভিন্ন ডাক্তারদের সঙ্গেও কাজ করছেন। সোমদত্তা ব্যানার্জি ‘ইন্ডিয়ান  সাইক্রিয়াটিক সোসাইটি’-র লাইফটাইম একজন মেম্বার এবং ‘অন্তরা’ নামক একটি সংস্থার সদস্যপদে নিযুক্ত রয়েছেন। মানুষের মনকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ্য করে তাদেরকে জীবনের নতুন দিশা দেখানোই তার একমাত্র লক্ষ্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।