বাঙালী মেয়েরা কি সেক্স নিয়ে খুব উৎসাহী?

  • by

বঙ্গ ললনা এবং যৌনতা

“শরীর শরীর,তোমার মন নাই কুসুম?”- বাংলা সাহিত্যের এই বিখ্যাত উক্তি যেন বাঙালী মেয়েদের ক্ষেত্রে যথার্থ ভাবেই ফলে যায়. বাংলা সাহিত্য থেকে বাংলা সিনেমা কিংবা হালের বাংলা সংবাদ পত্রে চোখ রাখলেই বোঝা যায় বাঙালী মেয়েদের শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়ার চরম উন্মাদনার কথা. কত ঘর পুড়লো, কত প্রেম জুড়লো শুধু বঙ্গ ললনাদের শরীরের উত্তাপ মেটানোর জন্য. রবীন্দ্রনাথের নষ্ট নীড় হোক কি শরৎ চন্দ্রের “চরিত্রহীন” নিজের শারীরিক চাহিদা মেটাতে বাঙালী সুন্দরীরা যে তাদের স্বামী-সংসারও জলাঞ্জলি দিতে পারে তা ইতিহাস সাক্ষী আছে.

শরীর নিয়ে কোনও ছুঁতমার্গ নেই

প্রেম হোক কি সেক্স-বাঙালী মেয়েরা এসব বিষয়ে একটু বেশীই উৎসাহী. কারণ অন্যান্য প্রদেশের মেয়েদের থেকে বাঙালী মেয়েরা অনেক বেশী স্বাধীনচেতা হয়. ছোটবেলা থেকেই তাদের মেয়ে বন্ধুর পাশাপাশি অনেক ছেলে বন্ধুও থাকে. অনেক বেশী সাংস্কৃতিক মনস্ক হয় তারা. তাই প্রেম বা সেক্স এই সব বিষয় নিয়ে বাঙালী মেয়েদের মনে সাধারণত কোনও ট্যাবু থাকে না. বিয়ে হয়নি বলে প্রেমিকের সাথে সেক্স করা যাবে না এই সব পুরোনো দিনের কথায় এখনকার বাঙালী মেয়েরা আর বিশ্বাস করে না. বরং যাকে সে ভালোবাসে তাকে সম্পূর্ণ রূপে পাওয়ার জন্য শারীরিক ভাবে মিলিত হতে বাঙালী মেয়েরা খুবই উৎসুক থাকে.

অচেনা পুরুষ শরীরের আকর্ষণ

শুধু তাই নয় এখনকার দিনে বাঙালী মেয়েরা অনেক বেশী সাহসী. তাই ক্যাসুয়াল ডেটিং বা ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড অর্থাৎ কোনও অচেনা মানুষের সাথে শুধু মাত্র এক রাতের জন্য শারীরিক ভাবে মিলিত হতেও আজকালকার দিনের বাঙালী মেয়েরা দ্বিতীয়বার ভাবে না. জানা গেছে এখনকার যে সমস্ত ডেটিং অ্যাপ রয়েছে সেগুলো ব্যবহারে বাঙালী মেয়েদের স্থান ভারতে দ্বিতীয়. এমনকি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বাঙালী মেয়েরা যখন কোনও জায়গায় ঘুরতে যায় বা অফিসের কোনও ট্যুরে যায় তখনও তারা অচেনা কোনও ব্যক্তির সাথে শারীরিক ভাবে মিলিত হতে পছন্দ করে নতুন একটা অভিজ্ঞতার জন্য.

ভারতীয় পুরুষদের প্রথম পছন্দ বাঙালী মেয়ে

এটা তো গেল বাঙালী মেয়েরা শারীরিক ভাবে মিলিত হতে বা সেক্সের বিষয়ে কতটা উৎসাহী সেই সব কথা. এবার আসি বাঙালী মেয়েরা শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়ার সময় অর্থাৎ সেক্সের সময় কিরকম উপভোগ করে থাকে. আপনি হয়তো জানলে আশ্চর্য হবেন যে একটা রিসার্চে জানা গেছে বাঙালী মেয়েরা সেক্সের সময় তার সঙ্গীর সঙ্গে সবসময় নতুন নতুন ভঙ্গিমা বা পজিশন উপভোগ করে থাকে. ভারতীয় পুরুষদের মধ্যে সমীক্ষা চালিয়ে এটা জানা গেছে যে পঁয়তাল্লিশ শতাংশ ভারতীয় পুরুষ জানিয়েছে যে তারা বাঙালী মেয়েদের সাথে সেক্স করতে বা সঙ্গম করতে বেশী উপভোগ করেন কারণ বাঙালী মেয়েরা সেক্সের বিষয়ে খুবই উৎসাহী হয়.

নিত্য-নতুন মিলন ভঙ্গিমা

মিলন ভঙ্গিমা বা সেক্স পজিশনের ক্ষেত্রে বাঙালী মেয়েদের সাধারণত সবচেয়ে পছন্দের হয় মিশনারি পজিশন. শারীরিক ভাবে মিলিত হওয়ার সময় বাঙালী মেয়েরা সবসময় সক্রিয় থাকে. সেক্সের সময় শুধুই যে তার সঙ্গী তাকে শারীরিকভাবে সুখ দিয়ে যাবে তা নয়, তারা নিজেও সক্রিয় ভাবে চেষ্টা করে তার সঙ্গীকে শারীরিক ভাবে চরম সুখের অনুভূতি দিতে. সেক্সের সময় মাঝে মাঝে রোল প্লে করতে বাঙালী মেয়েরা সিদ্ধ হস্ত. এমনকি বাঙালী মেয়েরা ব্লো জব দিতেও খুবই পছন্দ করে. বাঙালী মেয়েদের একটি গোপন সেক্স ফ্যান্টাসী হল তারা চায় একটি সবল পুরুষ, যে কি না তাকে নিচে ধরে কোলে নিয়ে সেক্স করতে পারবে। তাদের ফ্যান্টাসির মাঝে এটাও থাকে যে সেই পুরুষটিই তার সাথে সেক্স করার জন্য পাগল হয়ে থাকবে। আবার অনেক বাঙালী মেয়েরা অনেক সময়ই চায় আপনি তার সঙ্গে জোর করে সেক্স করবেন। ইংরেজিতে বলে ফোর্স ফ্যান্টাসি। এটাতে তারা অনেক বেশি পাগল হয়ে যায়। অনেক বাঙালী মেয়েরই মাথায় এই ভাবনা আসে। কিছু বাঙালী মেয়ে পার্টনারকে অনুরোধ করে থাকে ল্যাপ ড্যান্স দিতে। কারণ এতে বাঙালী মেয়েরা খুব বেশী হর্নি হয়ে যায়। কারণটা হল মেয়েদের এই বোধটা বেশি থাকে যে আপনি তাকে দিয়ে কতটা মজা পাচ্ছেন।

পছন্দ পর্নোগ্রাফি

পর্নোগ্রাফি দেখাও বাঙালী মেয়েদের যৌন চাহিদার অন্যতম লক্ষণ.অনেক বাঙালী মেয়েই আছে যারা একা একা তো বটেই এমনকি সঙ্গীর সাথে যৌন মিলনের সময় পর্নোগ্রাফি দেখতে বেশী পছন্দ করে.কারণ পর্নোগ্রাফি বাঙালী মেয়েদের অনেক বেশী হর্নি করে তোলে.

যৌন উত্তেজক কথা-বার্তা

যৌন মিলনের সময় বাঙালী মেয়েদের অন্যতম পছন্দের বিষয় হল যৌন উত্তেজক কথাবার্তা. সঙ্গমের সময় তারা সঙ্গীর কানে কানে এই ধরণের কথা বলতে থাকে. আর তার ফলে তার সঙ্গী তো বটেই সে নিজেও যথেষ্ট উত্তেজিত হয়ে পড়ে. আর এই যৌন আলোচনা তাদের চূড়ান্ত যৌন সুখের শিখরে নিয়ে যায়.

সুগন্ধির জাদু

যৌন মিলনের সময় সুন্দর পরিবেশ তৈরী করতেও বাঙালী মেয়েরা খুব পটু. সেক্সের সময় সুন্দর বিছানা তাদের প্রথম পছন্দের. এছাড়া সুন্দর আলো, ঘরের সুগন্ধের দিকেও তার নজর থাকে. বাঙালী মেয়েরা নিজেরাও নানা রকম সুগন্ধি ব্যবহার করে থাকে যা তার সঙ্গীকে মিলনের জন্য উত্তেজিত করে তুলবে.

সেক্সি অন্তর্বাস

বিখ্যাত লাইফস্টাইল ম্যাগাজিনে বলা হয়েছে সেক্সি অন্তর্বাসের বিক্রিতে মুম্বাইয়ের পরই কলকাতার স্থান. অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে বাঙালী মেয়েরা যৌন মিলনের সময় যৌন উত্তেজক অন্তর্বাস পড়তে কতটা উৎসাহী. নেট দেওয়া বা গাঢ় রঙের প্যান্টি-ব্রা পরলে যে কোনও পুরুষই যে যৌন মিলনের সময় উত্তেজিত হয়ে পড়ে সেটা বঙ্গ ললনারা খুব ভালো করেই জানে. শুধু নিজেই যে তারা সেক্সি অন্তর্বাস পরতে ভালোবাসে তাই নয় মিলনের সময় নিজের পুরুষ সঙ্গীটিকেও উত্তেজক অন্তর্বাস পরে দেখতে সে সমান ভাবে পছন্দ করে.

হস্ত মৈথুন

শুধু সঙ্গীর সাথে সেক্স নয় হস্ত মৈথুন করতেও বাঙালী মেয়েরা খুবই ভালোবাসে. যে সব মেয়েরা একা থাকে, কোনও সঙ্গী নেই তারা প্রায়সই হস্ত মৈথুন করে থাকে. কলকাতার বহু জায়গাতে মেয়েদের হস্ত মৈথুন করার বিভিন্ন খেলনা বা সেক্স টয়ও পাওয়া যায় এখন.

বং বিউটিকে পেতে হলে

দেখা গেছে যে এখনকার দিনে বাঙালী দম্পতিদের মধ্যে ডিভোর্স হওয়ার অন্যতম প্রধাণ কারণ মেয়েটিকে তার স্বামী শারীরিক সুখ দিতে পারে না. সুতরাং বুঝতেই পারছেন যদি আপনি সেক্সের বিষয়ে একটু উদাসীন হন তবে বাঙালী মেয়েদের থেকে একটু দূরে দূরেই থাকবেন. কারণ আপনার সাথে তাদের একদমই না পটবে না. কিন্তু আপনি যদি চান রোম্যান্সে আর উত্তেজনায় ভরপুর কোনও সঙ্গী, যে আপনাকে চরম শারীরিক উন্মাদনায় ভরিয়ে দেবে, নিত্য-নতুন শারীরিক ভঙ্গিমা বা পদ্ধতি ট্রাই করতে বলবে তাহলে বাঙালী মেয়েই হবে আপনার জন্য উপযুক্ত.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।