চোখের নিমেষেই অদৃশ্য হয়ে যায় এই শিব মন্দির (Invisible Shiv Temple. Is there any spiritual force or just simple science? )

  • by

আর কদিন বাদেই শিবরাত্রী। অনেকেই আছেন যারা এই শিবরাত্রির দিনে বহু প্রচলিত এই ব্রত করে থাকেন।তবে কি জানেন? এমন একটি জায়গা রয়েছে যেখানে শিব মন্দিরের একটা অংশ শুধুমাত্র দিনের একটা সময়তেই দেখা যায় তারপরই সেই মন্দিরটি মিলিয়ে যায়৷ এই অলৌকিক শিবের মন্দির রয়েছে একমাত্র ভারতবর্ষতেই। গুজরাট থেকে ৪০ মাইল দূরে সমুদ্র সৈকত জুড়ে ভদোরাতে রয়েছে স্তম্বেশ্বর মহাদেবের মন্দির। মন্দিরটি আরব সাগরের ভিতর। এই মন্দিরে লীলা দেখতে দীর্ঘদিন ধরে, পুন্যার্থীদের ভিড় উপছে পড়ার মতন। সত্যি আশ্চর্য্য করার মতনই বিষয়।

কি হয়?

সকলের মনে হতেই পারে এই ঘটনায়, এ যেন এক ম্যাজিক। কিন্তু আদৌও তা নয়। অনেকেই মনে করেন, অতি অলৌকিক এই কান্ডের পেছনে কাজ করছে কোনো অদৃশ্য শক্তি। না হলে এইভাবে এই মন্দির জলের উপরে কখনোই গড়ে ওঠে না। সমুদ্রের জল বাড়লেই মন্দিরটি অদৃশ্য হয়ে যায়। আর জল কমলেই মন্দিরটি জেগে ওঠে। রীতিমতো দর্শনার্থীদের গায়ে কাটা দেয় এই ঘটনা।

ইতিহাস –

বহু বছর ধরে এই ঘটনাটিই ঘটে আসছে। এতে মন্দিরের কোনো ক্ষতিও হয়না। কথিত আছে, স্কন্দ পুরানে কুমারিকা খন্ডে তারকাসুরকে বধ করার পর অপরাধে ভুগছিলেন কার্তিক। আর সেই কারনেই এখানে শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠা করেন। এরপরেই গড়ে ওঠে মন্দির। এই মন্দিরের বিষয় অলৌকিক নানা বিষয় লোক মুখে শোনা যায়৷

কারণ-

কেন এই মন্দিরটি অলৌকিক? কেনই বা মাঝে মাঝে অদৃশ্য হয়ে যায়। কারণ এই মন্দিরটির চারিদিকে রয়েছে সমুদ্র। যখন জোয়ার আসে তখন মন্দিরটি ঢেকে যায়। আবার ভাঁটার সময় মন্দিরটি জেগে ওঠে। আর ঠিক সেই সময়ে মন্দির দর্শন করতে পারে সাধারণ মানুষ।

কথায় আছে, এই মন্দিরটি দর্শন পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। তাই এর একঝলক দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীদের ভিড় জমে এখানে। আপনি দর্শন পেয়েছেন এই মন্দিরের?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।