অফিস পলিটিক্স আপনার ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলছে না তো?

  • by

আপনি কি অফিস পলিটিক্সের শিকার? মানে এরকমটা কি আপনার সাথে হামেশাই হচ্ছে যে আপনি কোনো ভালো কাজ করলেও, তার জন্য সুনাম পাচ্ছেন না. বরং কাজের সামান্য গাফিলতির জন্যই আপনাকে শুনতে হচ্ছে বহু কথা? আবার কাজের একটা ভালো গতি থাকা স্বত্তেও আপনার প্রমোশন টি আটকে যাচ্ছে অন্য কারোর প্ররোচনায়? শত চেষ্টা করেও বসের কৃপা দৃষ্টি আপনার ওপর পড়ছে না?
এটা কিন্তু এখন কম বেশি সকল অফিসের ইতিকথা. কে না চান বলুন তো, কাজ করে অফিসের একজন প্রিয় এমপ্লয়ী হয়ে উঠতে. কিন্তু শুধু মাত্র বস ঘেঁষা কিছু এমপ্লয়ীদের চোখে আপনার পারফরমেন্স অতিরিক্ত মনে হচ্ছে বলেই কি না আপনাকে এককোনা করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে. এইরকম অবস্থায় আপনার করণীয় কি? চলুন দেখা যাক.

১. প্রথমে সময় নিয়ে একটু ভেবে দেখুন, অফিসে যে পরিস্থিতি গুলি আপনার আগাইনস্টে তৈরী হচ্ছে, সেগুলিকে নিয়ে আপনি বেশি রিএক্ট করে ফেলছেন না তো? মানে হয়তো তেমন কিছুই হয় নি, আর আপনি তা নিয়ে বেশি ভয় পাচ্ছেন. হয়তো ভাবতে শুরু করেছেন আপনার ক্যারিয়ারের দৌড় শেষ হয়ে যাচ্ছে. এই ক্ষেত্রে বলবো নিজেকে নিজেই বোঝান.


২. ভাবনা চিন্তার পর যদি বুঝতে পারেন হ্যা সত্যি কোনো ব্যক্তি আপনার ক্যারিয়ারের এগিয়ে চলে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে. অযথা আপনার বিপরীতে প্ল্যানিং প্লটিং শুরু করেছে, তো তার সাথে সরাসরি কথা বলুন. লাঞ্চ ব্রেক বা কথার চলে তাকে আলাদা করে জিজ্ঞাসা করুন, তার আপনাকে নিয়ে সমস্যাটি ঠিক কোথায়. তাতে সে একটু নিজেকে সংযত করে তুলবে.


৩. তাতেও কাজ না হলে, নিজের অফিস কলিগদের সাথে, ওই ব্যক্তির নামে কথা বলতে থাকুন. মানে সে কি ভাবে আপনার ক্যারিয়ারে ডিসটার্ব করছে, আপনার ভালো ভালো পারফরমেন্স এর সীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দিচ্ছে, সবটাই গল্পের চলে জানিয়ে দিন অফিসে.


৪. এর পরের বা বলা চলে শেষ পদক্ষেপ হলো মানুষটিকে পুরোপুরি ইগনোর করা. তার কোনো কিছুতেই পাত্তা না দেওয়া. কাজের অতিরিক্ত কোন কথা না বলা. তাতে সে এমনিতেই আপনার থেকে দূরেই থাকবে.


৫.কোনও ভয় রেখে কাজ করবেন না। ভয় বা আশঙ্কা জাগ্রত হলেই তাকে আক্রমণ করে ধ্বংস করুন। দেখা এবং শেখার চোখ সব সময়ে খোলা রাখুন। মনে রাখবেন, যে সাপ বিষধর নয়, সে-ও বিষধরের ভান করে।


৬. নিজের কাজের জায়গায় নিজেকে নমনীয় রাখুন। কোনও বুদ্ধিমান ব্যক্তিকে বোকা বানাতে যাবেন না। তাঁর সঙ্গে সহজ সম্পর্কই তৈরি করুন। নিজের ভুল নিজে স্বীকার করুন। ভুলগুলি থেকে শিক্ষা নিন।

এই ভাবে কিন্তু আপনি অনায়াসে ভেঙে দিতে পারেন অফিস পলিটিক্স. ট্রাই করেই দেখুন না.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।