পায়ের জন্য আরামদায়ক হিলসটি বেছে নিয়ে স্টাইল করুন জমিয়ে (How To Choose Comfortable High Heels)

  • by

জুতো কিনতে গেলেই, আমাদের চোখ যেখানে আটকে যায়, সেটি হলো হাই হিলস. একটা স্টানিং লুক্সের জন্য হাই হিলস ছাড়া তো সম্ভব নয়. আবার এমন কয়েকটি পোশাকই আছে, যেগুলি হাই হিলস ছাড়া পড়া সম্ভব না. যেমন গাউন- স্বভাবতই গাউনের লেংথ অনেকটাই বেশি হয়. এই ক্ষেত্রে হিলস না পড়লে, পুরো গাউনটি মাটিতে লুটাবে.

কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা হিলস পড়তে পারেন না. মানে হিলস তাদের কাছে আরামদায়ক হয়ে ওঠে না. তাই অগত্যা বেছে নেন ফ্লাটস. কিন্তু আমরা বলবো, হিলস ও আপনাদের কাছে আরামদায়ক জুতো হয়ে উঠতেই পারে, যদি আপনি হিলস চয়নের আগে, কিছু বিষয়ের প্রতি যত্নবান হন.

তো চলুন দেখে নেওয়া যাক, কি ভাবে আপনি আপনার আরামদায়ক হিলসটি বেছে নেবেন-

কেমন হিলস বাছবেন ?

১. পেন্সিল হিল যদি আপনার আরামদায়ক না হয়, তাহলে চওড়া হিল বেছে নিন. সাধারণত ওয়েজ হিল, স্পুল হিল, স্ট্যাক হিল আর চাঙ্কি হিল বেশ চওড়া হয়। আপনি যদি প্রথমবার হিল জুতো ট্রাই করে দেখতে চান, তা হলে এই জাতীয় হিল বাছবেন। এগুলোতে ভারসাম্য ভাল বজায় থাকে। চট করে পা মচকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

২. হাই হিলস কেনার সময়, হিলসের উচ্চতা দেখার সাথে সাথেই, তার সামনের চওড়া অংশটির দিকেই নজর দিন. কারণ জুতোর সামনের দিকটি যত চওড়া হবে, ততটাই আরামদায়ক হবে.

৩. সবসময়, তিন ইঞ্চির উচ্চতা বিশিষ্ট হিলস, তুলনামূলক আরামদায়ক হয়. তাই প্রেফার করুন এই উচ্চতাটাই মেন্টেন করতে.

৪. তিন ইঞ্চির বেশি উচ্চতার হিলস পড়তে চাইলে, বাছুন, যে হিলসের সামনের দিকটাও উঁচু. মানে প্ল্যাটফর্মটাও উঁচু হয়. কথা বলছি কিটেন হিলসের.

৫. আবার ওয়েজ হিলসও কিন্তু বেশ আরামদায়ক. কারণ তার নিচটা পুরোটাই ফ্ল্যাট থাকে. তাই পা মুচকে যাওয়া, সামঞ্জস্য না থাকার সম্ভাবনা খুব একটা থাকে না.

এই তো গেল কি কি ধরণের হিলস আপনার জন্য আরামদায়ক হবে. এইবার একটু আলোকপাত করা যাক, হিল পড়ার সময় কোনো কোন জিনিসগুলি একেবারে করা উচিত না.

কি কি করবেন না-

১. প্রথমেই বলবো বেশি উচ্চতার হিলস পড়বেন না. বিশেষ করে আপনি যদি আগে কোনোদিন হিলস না পরে থাকেন, সবে হিলস পড়া শুরু করছেন, তাহলে, একেবারেই না. সব সময় শুরু করুন নিজের হিলস পড়ার অভ্যাসটি কম উচ্চতার হিলস দিয়ে.

২.অনেক হিলসই পাবেন, জেটিতে আপনার পুরো পাটি কভার হবে না. সে জুতো গুলি অনেকসময় পায়ে খলখল করে, আর হিল থাকার দরুন, তাতে পা হড়কে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে.

৩. দীর্ঘ সময়ের জার্নির জন্য কখনোই হিল জুতো বেছে নেবেন না. কারণ একটা সময় মানে বেশি করে তিনঘন্টা পর্যন্ত হিল জুতোর অত্যাচার পা সহ্য করে নিলেও, তার থেকে বেশি সহ্য করতে পারে না. কারণ ফ্ল্যাট নরম জুতোর আরাম কখনোই একটি হিল জুতো দিতে পারে না. তাই দূরে জার্নির জন্য সবসময় বাছুন নরম জুতো.

৪. নিয়মিত হিলস পরেই হাঁটাচলা করবেন না. এটি আপনার শরীরে অনেক কুপ্রভাব ফেলতে পারে. যেমন কোমরে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, আবার সাইনাসের ব্যাথাকেও চাঙ্গা করে তোলে, হিলস. কারণ হিলস পড়ার দরুন, পায়ের নার্ভ সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর তা ধীরে ধীরে সব কিছুর ওপরই একটা বাজে প্রভাব ফেলতে থাকে.

তাই বলছি, হিলস পড়ুন নির্দ্বিধায়, কিন্তু ব্যালান্স করে. আর এইভাবে নিজের পছন্দসই হিলস বেছে নিলেই আপনার সমস্যা শেষ.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।