অনলাইনে পাসপোর্ট বানাতে কি করবেন জানেন ? (How to apply online for passport?)

  • by

কয়েক বছর আগে পাসপোর্ট এর চক্করে দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হত আবেদন করার জন্য ।
তবে এখন সেসব এর কোন চিন্তা নেই। এখন আপনি আপনার পাসপোর্ট পেতে পারেন মাত্র তিন দিনের মধ্যেই তাও নিজের ঘরে বসে অনলাইনে আবেদন এর মাধ্যমে।

জেনে নিন কি কি ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখবেন?

১. আধার কার্ড
২. ম্যারেজ সার্টিফিকেট (যদি প্রযোজ্য হয়)
৩. গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট বা স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট
৪. প্যান কার্ড
৫. জন্মের সার্টিফিকেট
৬. পুরোনো পাসপোর্ট (যদি প্রযোজ্য হয়)
৭. আধার কার্ড স্থানান্তরন সার্টিফিকেট(যদি প্রযোজ্য হয়)

কিভাবে করবেন আবেদন:

  1. একজন ভারতীয় নাগরিক মোট দুভাবে এই আবেদনটি করতে পারে।
  2. তৎকাল পরিষেবা। যেই পরিষেবা দ্বারা আপনি আপনার পাসপোর্ট হাতে পেয়ে যাবেন ৩দিনের মধ্যে।
  3. সাধারণ পরিষেবা। এই পরিষেবা দ্বারা আপনি পাসপোর্ট পাবেন ২১ দিনের মধ্যে।
    তবে তৎকাল পরিষেবায় ফ্রেশ পাসপোর্ট বানানোর ক্ষেত্রে সাধারণ আবেদন এর থেকে আপনাকে ২০০০টাকা অতিরিক্ত গুনতে হবে।এর সাথে আপনি পাবেন ১০বছরের ভ্যালিডিটি।

অনলাইনে আবেদন করবেন কিভাবে ?

১. প্রথমেই passportindia.gov.in এই সাইটে গিয়ে অর্ডিনারী পাসপোর্ট অপশন সিলেক্ট করুন।
২. এরপর রেজিস্টার নাও বাটন এ ক্লিক করুন।
৩. এরপর আপনার কাছে প্রোফাইল বানানোর জন্য কয়েকটি বক্স ওপেন হয়ে যাবে।রি জিওনাল পাসপোর্ট অফিস, নিজের নাম, পদবী, জন্মতারিখ, ইমেইল, পাসওয়ার্ড ও ক্যাপচা দিয়ে রেজিস্টার করুন।
৪. আপনার ইমেইলে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে ও আপনার প্রোফাইল সক্রিয় হয়ে যাবে।
৫. পরবর্তীতে পাসপোর্ট সেবা অনলাইন পোর্টাল এ গিয়ে আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ফেলুন।
৬. এই ধাপে একটি ব্ল্যাংক ফর্ম দেখতে পাবেন। স্টার মার্কযুক্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও বিবরণ দিয়ে ফর্মটি ফিল করুন।
৭. নেক্সট পে এন্ড অ্যাপয়েন্টমেন্ট এ ক্লিক করলে পেমেন্ট অপশন এর ইন্টারফেস খুলে যাবে।
৮. পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্র ও পাসপোর্ট অফিসে অ্যাপয়েন্টমেন্ট এর জন্য এটি বাধ্যতামূলক।
৯. ক্রেডিট/ডেবিট/ইন্টারনেট ব্যাংকিং ইত্যাদির মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারেন।
১০. এরপর প্রিন্ট অ্যাপ্লিকেশন রিসিট এ ক্লিক করতে হবে ও প্রিন্ট নিয়ে এ আর এন বা অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি নোট করে নিন। এরপর নির্দিষ্টদিনে পাসপোর্ট অফিসে প্রিন্ট আউটসহ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় আসল ডকুমেন্ট এর কপি নিয়ে হাজির হতে হবে। আপনার মোবাইলে আসা এস এম এসটিও চেক করা হতে পারে।

অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন জমা দেবার প্রক্রিয়া:

১. হোমপেজ এ ই-ফর্ম ডাউনলোড করুন।
২. প্রাসঙ্গিক তথ্য পূরণ করে ভ্যালিডেট ও সেভ বিকল্পটি সিলেক্ট করুন।
৩. এরপর আপনার এক্সেম ফাইল ক্রিয়েট হয়ে যাবে। তারপর আপলোড ইফর্ম অপশনটিতে গিয়ে এক্সেম ফাইলটি আপলোড করে দিন।
৪. তারপর পেমেন্ট করুন ও যাচাই এর জন্যে পাসপোর্ট সেবা কেন্দ্রে যান নথিসহ।
তবে মনে রাখবেন ইমার্জেন্সি বা মেডিকেল কেস এর ক্ষেত্রে আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্ট এর দরকার হয় না পাসপোর্ট অফিসে।
৫. নাবালক (৪বছরের নীচে) এর ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ফটোগ্রাফ(৪.৫এমএম ×৩.৫এমএম) সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এ তুলে রাখুন।
আর হ্যাঁ ৯০দিনের মধ্যে ভিজিট না করলে অ্যাপ্লিকেশন পুনরায় সাবমিট করতে হবে।

তো এইবার উপরোক্ত পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করে, বাড়িতে বসেই বানিয়ে ফেলুন পাসপোর্ট. এই বিষয়ে বেশি দেরি করা ঠিক নয়. তাই চটজলদি করে ফেলুন কাজটি.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।