কিভাবে বুজবেন আপনি কোনো টক্সিক সম্পর্কের মধ্যে রয়েছেন? (How do you know if you are in a toxic relationship?)

সম্পর্কের মধ্যে সব থেকে জরুরি হল দুটো মানুষের মধ্যে ভালোবাসা এবং বিশ্বাস। যেইমুহূর্তে সম্পর্কের মধ্যে চির ধরে তখনই তা পরিণত হয় টক্সিক সম্পর্কে।

টক্সিক সম্পর্ক কাকে বলে?

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন –https://spark.live/consult/keep-your-soul-happy-online-bangla-consultation-session-with-psychologist-somdutta-banerjee

যে কোনও সম্পর্কের মধ্যে সব থেকে জটিল হল প্রেমের সম্পর্ক। কখন কোন সময় মসৃণ পথ কাঁটায় ভরে যায় কেউ বলতে পারে না। আর এই প্রেমের সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য বিষয় হল শারীরিক মিলন। আর সম্পর্কে শুষ্কতা এলে শারীরিক সম্পর্কও ঠান্ডা হয়ে যায়। হতে পারে আপনারা আর পরস্পরের প্রতি কোনও আকর্ষণ অনুভব করছেন না বা এমনও হতে পারে যে মিলিত হওয়ার সময় কাছাকাছি এলেও তারপরে আর কোনও অনুভূতি থাকছে না। আপনি হয়তো তাঁকে কাছে টানলেন কিন্তু তিনি বিরক্ত হয়ে চলে গেলেন বা সে আপনাকে জড়িয়ে ধরতেই আপনি অন্য পাশ ফিরে শুয়ে পড়লেন। এইরকম পরিস্থিতির মুখোমুখি অনেকেই হয়ে থাকেন আর একেই বলা হয় টক্সিক সম্পর্ক

সম্পর্কের মধ্যে জটিলতা তৈরী হচ্ছে?

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন – https://spark.live/consult/keep-your-soul-happy-online-bangla-consultation-session-with-psychologist-somdutta-banerjee

ভালোবাসার মানুষটা কি আপনার কোনো মেসেজ বা ফোন কলের জবাব দেন না? উত্তরটা যদি না হয়, তাহলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। কারণ ব্যস্ত থাকার কারণে যোগাযোগ করতে না পারাটা একটা বিষয়। কিন্তু অবসর মেসেজ দেখেও যদি রিপ্লাই না করে, আর এমনটা যদি দিনের পর দিন ধরে ঘটতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেই মানুষটা আপনার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে ইচ্ছুক নয়। তাহলে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য় যে এমন পরিস্থিতিতে সেই ব্যক্তি সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসার কথা আপনাদের সহজভাবে বলছে না কেন।

সম্পর্কের মধ্যে স্বচ্ছতা আছেতো?

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন –https://spark.live/consult/mindfulness-online-session-in-bangla-with-priti-dey

একটু খেয়াল করে দেখুনতো আপনার পার্টনার আপনাকে মন থেকে ভালোবাসা প্রকাশ করে নাকি কিছুটা জোর করেই এমনটা মাঝেমধ্যে আপনাকে দেখায়? যদি পরেরটা হয়, তাহলে সময় এসেছে সম্পর্কটা ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার। কারণ জোর করে কখনও ভালোবাসা পাওয়া যায় না। তাই এমন সম্পর্ককে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকাটা যে মূর্খামি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

সম্পর্কের হবে টক ঝাল মিষ্টি

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন –https://spark.live/consult/counselling-and-pranic-healing-with-neerajana-ghosh

সম্পর্কের স্বাদ তখনই বাড়ে, যখন ভালোবাসার মিষ্টতার সঙ্গে কখনও সখনও যোগ হয় ঝগড়ার টক-ঝাল। তাই এমনটা স্বাভাবিক ঘটনা যে সম্পর্ক থাকলে কম-বেশি মনোমালিন্য হবেই। কিন্তু বারে বারে, নানা কারণে ঝগড়া হতে শুরু করলে এবং সেই বিবাদ সহজে মিটে না গেলে জানবে সম্পর্কে আর কিছু বেঁচে নেই। আর এমন মিথ্যা সম্পর্কের বোঝা বয়ে বেড়ানো কখনই উচিত নয়।

ভালোবাসার সম্পর্ক তখনই সুন্দর হয়ে ওঠে, যখন দুই পক্ষই সমান তাগিদে সম্পর্ক গড়ে তোলে। যেখানে দুজেনেই সমানভাবে ত্যাগ করে। শুধু তাই নয়, যেখানে ভুলেও একজন চেপে রাখেনা অপরজনকে! তাই যদি খেয়াল করে দেখেন যে দিনের পর দিন একমাত্র আপনিই এই সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন আপনার পার্টনারের কোনো আকর্ষণ নেই এবং একাই পূরণ করছেন সব কর্তব্য। তাহলে বুজতে হবে যে আপনি একটা অন্তসার শূন্য, মেকি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছন। আর এমন সম্পর্ককে বেশিদিন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব।

কেন হয় এই জাতীয় সমস্যা?

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন – https://spark.live/consult/online-mental-wellness-session-psychologist-rakhi-sengupta-bangla

সাধারণত দেখা যায় বিয়ে এবং হনিমুনের পর একটু বেশি মাত্রায় শারীরিকভাবে মিলিত হলে অনেক নারী পুরুষই আবার শারীরিক মিলনের আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। সদ্য সম্পর্ক শুরু হলে বা সদ্য বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করলে পরস্পরের শরীরের প্রতি একটা অদম্য আকর্ষণ থাকে। শরীরের প্রতিটি মোড় আর বাঁক চেনা হয়ে গেলেই অনেকে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। কিছু ক্ষেত্রে বাবা-মা হওয়ার পর বা সন্তানের জন্ম হলেও অনেকের এই ফেজ যায়। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে যারা অসম্ভব দায়িত্ব বা মানসিক চাপ সৃষ্টি করে এমন কাজ করেন তাঁদেরও যৌন আগ্রহ আস্তে আস্তে চলে যায়। যৌনতার সঙ্গে দাম্পত্য একে ওপরের সঙ্গে ভীষণভাবে জড়িত। সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরী হওয়ার এক মূল কারণ হল শারীরিক সম্পর্কের অভাব।

কীভাবে এর মোকাবিলা করবেন?

Spark.Live এ স্বনামধন্য মনোবিদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করুন –https://spark.live/consult/reduce-stress-anxiety-fear-depression-through-psychological-counselling-srimonti-guha

এই ঘটনা ঘটতে থাকলে পরস্পরকে আগে দোষ দেওয়া বন্ধ করুন। চেষ্টা করুন অফিস থেকে সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনদিন একটু আগে বাড়িতে চলে আসতে। পার্টনারের জন্য তার পছন্দসই রান্না করে তাঁকে খুশি করার চেষ্টা করুন, তাঁকে মাঝে মধ্যে পুরোনো দিনের কিছু এমন ছবি পাঠান যা দেখে তিনি পুরোনো ফেলে আসা সময়ে আবার ফায়ার যেতে আগ্রহ প্রকাশ করবেন। যদি দুজনেই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন তাহলে ঠান্ডা মাথায় বসে একদিন আলোচনা করুন। প্রয়োজনে মনোবিদের সাহায্য নিন।

Spark.Live এ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন বিশিষ্ট মনোবিদেরা, যাদের সঙ্গে আলোচনা করে আপনারা নিজেদের দাম্পত্যকে আরও রঙিন করে তুলতে পারেন। তাহলে আর দেরি না করে আজই আমাদের স্বনামধন্য মনোবিদদের সঙ্গে অনলাইন সেশন বুক করে পরামর্শ করুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।