আচার খেয়ে কিভাবে সুস্থ থাকবেন জানেন ? (Health benefits of pickle)

  • by

পশ্চিমবঙ্গ খাদ্যপ্রেমীদের স্বর্গ সেটা নতুন করে বলার কিছু নেই । তাই বাঙালিদের ভোজন তালিকায় আচারের উপস্থিতি খুবই স্বাভাবিক। তাই আজ আমরা আচারের স্বাস্থ্যসম্মত কিছু দিক সম্পর্কে কথা বলব।

১:- জিমে ওয়ার্ক আউট করলে খান আচার

জলের উত্তম সাপ্লিমেন্ট হিসাবে ধরে নিতে পারেন আচারকে । শরীরে নিয়মিত ফ্লুইড এর যোগান দিতে জলের পাশাপাশি পান করে দেখতে পারেন আচার জুস।

বেশি সময় ধরে জিমে ওয়ার্ক আউট করলে সঙ্গে আচার অবশ্যই রাখুন। এর মধ্যে থাকা ভরপুর সোডিয়াম এবং পটাশিয়াম বডি থেকে বেরিয়ে যাওয়া মৌল গুলির রিকভারিতে উল্লেখ্য ভূমিকা নেয়।

২:-পেশির খিঁচ সারাতে আচার জুস

পেশির খিঁচ বা মাসল ক্রাম্প সারাতে আচার জুসের জুড়ি মেলা ভার। বেশিরভাগ খেলোয়াড়রাও এই কাজে এটিকে ব্যবহার করেন । তাই আচার জুস তাদের মধ্যেও যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর মধ্যে থাকা ভিনিগার দ্রুত ব্যথা কম করে এবং স্নায়ুর কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ভাবে সহায়তা করে।

৩:-ওজন কমবে অবিশ্বাস্য ভাবে

যারা ভাবছেন আচার খেলে তাদের ওজন সংক্রান্ত সমস্যায় পড়তে হবে তারা একেবারেই ভুল ভাবছেন। হাই ক্যালোরি স্পোর্টস ড্রিংকস এর বদলে বেছে নিন আচারকে।এতে বিন্দুমাত্র ফ্যাট নেই। তাই এটি নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। পরীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত আচার খেয়ে অবিশ্বাস্য ভাবে ওজন কমিয়েছেন অনেকেই ।

৪:- আচারের রস পান করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

গবেষণায় দেখা গিয়েছে আচারের রস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এটি ডায়াবেটিস মেলিটাস ও ইনসিপিডাস উভয় ক্ষেত্রেই দারুণভাবে কাজ করে । এতে থাকা ভিটামিন সি ও ভিটামিন ই দুটি মিলে শরীর থেকে ক্ষতিকারক মৌল পদার্থ বার করে দিতে দারুন ভাবে সাহায্য করে। পাশাপাশি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া এর মধ্যে থাকা নানা এন্টি মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াল উপাদান পাকস্থলীর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে ।
তা ছাড়া নানা শাকসবজি ও গোটা ফল দিয়ে তৈরি আচার অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়।

তো বুঝতেই পাচ্ছেন যে আচার খাওয়াটা কতটা উপকারী. নিজের বাড়িতেই বানান আচার- মরশুমি ফল দিয়ে, তাতে আপনার স্কিনও ঝকমক করবে. আমাদের কমেন্টে জানান, কোন আচার আপনি খেতে ভালোবাসেন.

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।