জিভে জল আনা পাঁচটি পুষ্টিদায়ক সন্ধ্যাকালীন খাবার (Five best evening snacks good for health)

  • by

বাঙালি মানেই ভুরিভোজ সকালে উঠে চা বিস্কুট দিয়ে শুরু ,জলখাবার, তারপর দুপুরে একটা জমজমাটি খাওয়া-দাওয়া হলেও বিকেলে কিছু খাওয়া না হলে সারাদিনের ক্লান্তি ঠেলে আড্ডাটা ঠিক জমে না। আর ওই সময়ে প্রবল খিদে পায়। আর ঠিক সেই সময়ই মুড়ি- তেলেভাজা, ফুচকা রোল, কেক এর মতন নানান খাবারে হামলে পড়ি আমরা ।কিন্তু জানেন তো এর কোনটাই স্বাস্থ্যকর নয়। তাই হাতের সামনে এমন কিছু রাখুন যাতে আপনার আমার পেট ভরবে ও স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

ডিম্-

1। হাতের সামনে বেশ কটা ডিম রাখতে পারেন। রোজ একটা করে সিদ্ধ করে খেতেই পারেন ।আবার অল্প চিকেন সিদ্ধ করে সামান্য রসুন ও চিলির ফ্লেক্স ও অলিভ অয়েলের সহযোগে রান্না করে রাখুন ।সন্ধ্যেবেলায় টিফিন হয়ে যাবে।

ফল-

2। ফল একটা দারুন জিনিস। আপেল বা শসা সুন্দর করে কেটে নিন। সঙ্গে রাখুন জল ঝরানো টকদই ও পিনাট বাটার। দুটিকে মিশিয়ে খেলে একটা দারুণ খাওয়ার হয়। আপনার পছন্দমত যেকোন ফল ই আপনি খেতে পারেন ।তবে সন্ধ্যা বেলায় ফল খেলে মোটেও অ্যাসিড হয় না।

স্যালাড-

3। স্যালাড ব্যাপারটা শুনতে যতটা কঠিন বরং তৈরি করা ততটাই সহজ। সাধারণত এই ভাবে তৈরি করতে পারেন আপনি- শসা,পেঁয়াজ, টমেটো, ধনেপাতা সাথে বিট লবণ মিশিয়ে ।আবার ধরুন,গাজর, বিট হালকা সিদ্ধ করে ঝুড়ি করে কেটে নিন ।টক দই,লঙ্কা,লবণ মিশিয়ে খান ।ও আবার এটাও করতে পারেন ডিম সেদ্ধ ,শসা, টমেটো, লেটুস, লেবুর রস ও লঙ্কা নুনের সহযোগে পরিবেশন করুন। তবে ডিম সিদ্ধ জায়গায় চিনে বাদাম ভিজিয়ে খেতে পারেন ।আবার ফ্রুট স্যালাড বানাতে পারেন।

ছোলা-

4। ছোলা সিদ্ধ করে নুন, মরিচ ,কাঁচালঙ্কা ,ধনেপাতা, লেবুর রস দিয়ে মেখে নিয়ে খান ।মুখের স্বাদ বদল ঘটবে। তবে ছোলার পরিবর্তে ভুট্টার দানা সিদ্ধ করতে পারেন।

ড্ৰাই ফ্রুটস –

5। আর আরও একটি উপায় অফিস যাত্রীদের জন্য। যেমন ধরুন বাদাম ,আখরোট, আমন্ড, চিনেবাদাম গরম ও শুকনো তাওয়ায় ভেজে নিন। ঠাণ্ডা করুন ।তার সাথে কালো আঙুর ,কিশমিশ ও কাজু বাদাম মেশানো। একটা কৌটা ভরে সাথে রাখুন। বিকেলে খেলে পেট ভরবে অবশ্যই।

তবে হ্যাঁ বিকেলে যাই খান না কেন তাতে যেন অতিরিক্ত নুন না থাকে সেটা খেয়াল করে দেখবেন। বাড়তি নুন শরীরে জল ধরে রাখে ।বা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব একটা সুবিধার নয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।