সংগীতের সুরে সুরে জীবনকে আনন্দে ভরিয়ে তুলুন (Fill your life with joy with the melody of music)

সংগীতের মধ্যে রয়েছে এমন এক শক্তি যা মানুষের মনের দুঃখকে কমাতে সাহায্য করে এবং মনের মধ্যের যাবতীয় কুটিলতা, হিংসা , বিদ্বেষ সব কিছুর অবসান ঘটায় – সঙ্গে রয়েছেন স্বনামধন্য গায়িকা এবং শিক্ষিকা শ্রীমতি জয়া নাগ।https://spark.live/consult/learn-semi-classical-and-folk-music-with-jaya-nag

আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সঙ্গীত। তা ধীর লয়ের রবীন্দ্রসঙ্গীত হোক অথবা কানফাটানো যান্ত্রিক মেটাল। সঙ্গীতের সাথে সাথে পরিবর্তন হয় আমাদের আবেগ অনুভূতির। কিন্তু সঙ্গীত আমাদের মাঝে যে পরিবর্তন এনে দেয় তা আসলে অনেকটাই গুরুত্বপূর্ণ। এর সাথে সংযোগ আছে আমাদের মানসিক ও শারিরিক সুস্থতার। এমনকি সঙ্গীতের সাথে যোগাযোগ থাকলে শিশুরা বেড়ে ওঠে অনেক ভালোভাবে এবং প্রাপ্তবয়স্কদেরও পড়াশোনাসহ জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য করে থাকে সঙ্গীত।

আমাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে প্রভাব ফেলে সঙ্গীতের নানান অংশ। স্বরের ওঠানামা, সুর এবং গানের কথা একেকটি একেক স্থানকে প্রভাবিত করে এবং এভাবে অন্য কোন কাজের চাইতে সঙ্গীত মানুষের মস্তিষ্কের সবচাইতে বেশি স্থান জুড়ে কাজ করে। নিয়মিত গান শুনলে ভাষাগত দক্ষতা বাড়ে, উন্নতি হয় সৃজনশীলতার এবং আমাদেরকে এটি হাসিখুশি রাখে। জীবনের নানান বিষণ্ণতা কাটিয়ে উঠে আশাবাদী করে তোলে আমাদেরকে।

আলজেইমার্স, টরেটস ডিজিজ এবং অটিজম এর মত স্নায়বিক রোগের উপশম করতে পারে সঙ্গীত। মস্তিষ্কের নিজস্ব তরঙ্গগুলোর মাঝে আছে আলফা, বেটা, গ্যামা, ডেলটা এবং থেটা তরঙ্গ। এদের কারনে তৈরি হয় বিভিন্ন আবেগ-অনুভুতি এবং প্রতিক্রিয়া। এগুলি মনোযোগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা নেয়, জীবনের সকলরকম দুঃশ্চিন্তা কাটিয়ে উঠতে সংগীতের কোনো বিকল্প হয়না। এমনকি বিশেষজ্ঞেরা এই কথাও বলেন যে অনিদ্রায় যারা ভোগেন তারা যদি ঘুমোনোর সময় একটু হালকা মিউজিক শুনতে পারেন তাহলে তাদের ঘুম খুব ভালো হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রেও সঙ্গীতের প্রভাব কম নয়, দেখা যায়, মিউজিক পারফরম্যান্স এবং মিউজিক অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অন্যদের থেকে অনেকগুণ ভালো ফলাফল করছে পরীক্ষায়। তারা শিক্ষাক্ষেত্রে পাচ্ছে বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড এবং সম্মান, এছাড়াও তাদের মাঝে হিংসার প্রবণতা কমে আসছে অনেকখানি। প্রাপ্তবয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদের জীবনেও সঙ্গীত রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। শিশুদের বেড়ে ওঠায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে সঙ্গীত। সঙ্গীতের প্রভাবে মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশ উদ্দীপ্ত হয় যেগুলো পড়াশোনার সাথে সম্পর্কিত। অল্প বয়সে সঙ্গীতের চর্চা থাকলে তাতে স্মৃতিশক্তির উন্নতি ঘটে। সঙ্গীত শেখে যে সব শিশু তাদের মধ্যে টিমওয়ার্ক এবং শৃঙ্খলার উন্নতি ঘটতে দেখা যায়। সঙ্গীতের মাধ্যমে বৃদ্ধি ঘটে তাদের আত্মবিশ্বাস এবং সৃজনশীলতার।

আমাদের সকলের গলায় হয়তো সুর থাকেনা কিন্তু গান আমাদের মনের ভাব প্রকাশ করতে খুব সহায়তা করে সবসময়। আনন্দের সঙ্গী গান আবার মনের দুঃখ কমাতেও গান যেন আমাদের অনাবিল আনন্দ দেয়। শুধু প্রয়োজন হয় এমন একজন মানুষের যে আমাদের সুর সম্বন্ধে তাল সম্বন্ধে সকল ধারণা পরিষ্কার করে দেবেন, যার ফলে আমরা আনন্দে থাকার জন্য গাইতে পারবো আবার অনেকেই জীবিকা হিসেবেও সংগীতকে নির্বাচন করতে পারবো। আপনাদের সকলের জন্য Spark.Live এ রয়েছেন স্বনামধন্য গায়িকা এবং শিক্ষিকা শ্রীমতি জয়া নাগ, ওনার সঙ্গে অনলাইন সেশনের মাধ্যমে আপনারা সংগীতের সাহায্যে নিজের মনের ভাবকে সকলের সামনে তুলে ধরতে পারবেন আনন্দে থাকতে পারবেন।

Spark.Live এ অনলাইন সেশন বুক করার জন্য নিচের লিংকটিতে ক্লিক করুন-https://spark.live/consult/learn-semi-classical-and-folk-music-with-jaya-nag

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।