চুল ও স্কিনের পরিচর্চার জন্য আমন্ড কতটা উপকারী? (Benefits of almond nut for hair and skin)

আমন্ড অর্থাৎ কাঠবাদাম শুধুমাত্র ড্রাই ফুড হিসাবের চলেনা। সৌন্দর্য রক্ষাতেও এর ভূমিকা যথেষ্ট চুল ত্বক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সবেতেই আমন্ড বাদাম এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ থেকে আছে ভিটামিন ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গুলি। মূলত আমন্ড বাদাম গুলিকে পিসি এই তেল তৈরি করা হয় অনেকেই আছেন যারা এই তেলের গুণাগুণ জানেন না তাদের উদ্দেশ্যেই বলি চলুন দেখে নেওয়া যাক মূলত এই তেলে কি কি উপাদান রয়েছে,

১) ভিটামিনের গুনাগুন

বাদাম মূলত শক্তি যোগান দেয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে এই তেলে রয়েছে ভিটামিন এ ই এর মত গুনাগুন গুলি। মহিলাদের জন্য এই তেল খুবই কার্যকরী।

২) উজ্জ্বল ত্বকের জন্য আমন্ড ওয়েল

ত্বকের যত্ন নিতে আমন্ড অয়েল ব্যবহার করুন। এতে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং আজও তাকে ত্বকের মধ্যে ধরে রাখে। পুষ্টিও জোগায় এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা আমাদের ত্বকে উজ্জ্বলতা নিয়ে আসে।

৩) ডার্ক সার্কেল দূর করতে আমন্ড ওয়েল

সারাদিনের পরিশ্রমে ও নানা ধরনের স্ট্রেসের জন্য অনেকের চোখের নিচে ও তার চারপাশে কালো স্পট পড়ে। আর এই স্পট দূর করতে রোজ রাতে চোখের নিচে আমন্ড তেল মালিশ করলে দাগ সার্কেল ধীরে ধীরে কমে যায়। ডার্ক সার্কেল এর জন্য আমরা অনেক দামি দামি প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকি ফলে সেইসব প্রোডাক্টে সঠিকভাবে কাজ হয়না। তবে আমন্ড অয়েল ট্রাই করলে এক সপ্তাহের মধ্যে হাতেনাতে ফল পাবেন।

৪) অ্যান্টি এজিং দূর করতে আমন্ড ওয়েল

অ্যান্টি এজিংও দূর করার ক্ষমতা রাখে এই তেল তেল। এই তেলে ভিটামিন এবং ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে যা ত্বকের কোষের প্রাণ সঞ্চার করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে তরতাজা। রাতে শুতে যাওয়ার আগে আমন্ড ওয়েল নিয়ে প্রতিদিন চোখের চারপাশে ম্যাসাজ করুন দেখবেন অনেক ফল পাবেন।

৫) মেকআপ রিমুভার হিসাবে আমন্ড ওয়েল

মেকআপ তোলার জন্য এই তেল খুব কাজে দেয়। কারণ এই তেল হাল্কা আর একদম চিটচিটে নয়। এই তেল ত্বকের ছিদ্র ভালো করে খুলে দেয় আর মেকআপ পুরো পরিষ্কার করে দেয়। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল এই তেল যে কোনও ত্বকের জন্য উপযোগী।তাছাড়াও ঠোঁটের যত্নেও এই তেল অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ঠোঁট খুব বেশি ফাটে বা যাদের ঠোঁট খুব খসখসে তারা কয়েক ফোঁটা আমন্ড তেল যদি প্রতিদিন ঠোঁটে মাসাজ করেন তাহলে ঠোঁট গোলাপি হয়ে যাবে। এই তেলে যেহেতু ময়েশ্চার আছে তাই শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যাও দূর হবে।

৬) চুলের যত্নে আমন্ড ওয়েল

শুধু ত্বক নয়, এটি চুলের জন্যও বেশ লাভজনক। চুল পড়া বন্ধ করা থেকে শুধু করে ঘন, মজবুত চুল পেতে এই তেল মাথায় মাসাজ করা উচিৎ। আসুন দেখে নিই কীভাবে চুলের যত্নে কাজে লাগাতে পারি আমন্ড অয়েল।
কারণ চুলের গোড়া শক্ত করে, সাথে হেয়ারফলও কমায়. কারণ একমাত্র চুল পড়া কমলেই, আপনার চুলের ঘনত্ব বাড়বে. প্রতিদিন রাতে শোয়ার আগে, সামান্য তেল গরম করে মাথার স্কাল্পে লাগিয়ে ভালো করে ম্যাসাজ করুন. আবার, তেলের সাথে সামান্য পাতিলেবুর রস আর মধু দিয়ে চুলে লাগান স্নানের এক ঘন্টা আগে. খুশকির সমস্যা দূর হবে.

একটি মাত্র বাদাম, আর তার কত গুন্ বুঝতেই পারছেন. আমন্ড অয়েল একটি ম্যাজিক্যাল ড্রাইফ্রুইট. যেটি খান বা গায়ে লাগান, বা চুলের জন্য ব্যবহার করুন, সব ভাবেই আপনার হেল্প করবে. তাই এখন থেকেই আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে অ্যাড করুন আমন্ড.

1 thought on “চুল ও স্কিনের পরিচর্চার জন্য আমন্ড কতটা উপকারী? (Benefits of almond nut for hair and skin)”

  1. Pingback: চুলের ক্ষতি করবে না কোন চারটি ট্রেন্ডিং হেয়ার স্ট্রেইটনার? (Top three trending hair straightener ) - Spark.Live বাংলা

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।