করোনা থেকে বাঁচতে আয়ুর্বেদের সাহায্য ! (Ayurvedic ways to fight Corona virus)

বর্তমানে করোনা ভাইরাস প্রায় এক মহামারীর আকার নিয়েছে চীন দেশে এবং আরো অনেক দেশেই তা ছড়িয়ে যাচ্ছে, আমাদের দেশকেও সচেতন থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ল্ড হেলথ organisation থেকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে এখনো অব্দি মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩০০০ ছাড়িয়েছে। সকলের মধ্যে আতঙ্ক তৈরী হয়েছে এই করোনা ভাইরাস নিয়ে। তাই নিজেদের সামলে রাখার জন্য প্রাথমিকভাবে নিজেদের শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমকে বাড়িয়ে তুলতে হবে যাতে তারা এই ভাইরাস আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে আপনাদের।

নানান আয়ুর্বেদিক উপায়ে আপনারা নিজেদের আগে থেকেই সচেতন করে রাখতে পারেন এবং ইমিউনিটি সঠিক রাখতে পারেন শরীরের-

১) হেলথি খাবার-

পুষ্টিকর খাবার খাওয়া খুবই জরুরি , চীজ, দই এই জাতীয় খাবার শরীরের ইমিউনিটি বাড়িয়ে তোলে এবং অনেক বেশি হেলথি রাখতে সাহায্য করে। আরো কিছু খাদ্য যেমন- গোলমরিচ, ব্রকোলি , আদা , রসুন, গোটা ধোনে , কমলা লেবু, পাতি লেবু এবং স্ট্রবেরি ইত্যাদি শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে সহায়তা করে, তাই এইসময় এগুলো খাওয়া খুবই প্রয়োজন।

২) বডি ম্যাসাজ-

রোজ একটু বডি ম্যাসাজ করানো জরুরি, এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় আয়ুর্বেদিক মতে তাই ইমিউনিটিও বৃদ্ধি পায় , সব থেকে উপযুক্ত হয় যদি তিল তেল দিয়ে মালিশ করেন।

৩) ঠান্ডা খাওয়া-

মিষ্টি , ঠান্ডা এবং ভাজাভুজির থেকে একটু দূরে থাকা জরুরি এইসময়, যেকোনো ঠান্ডা পানিও বা খাবার হজমশক্তি কে স্লো করে দেয়, তাই সেটা স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই উপযোগী নোই। মিষ্টি তে প্রচুর ক্যালোরি থাকে যা হজম হতে সময় লাগে আর ভাজাভুজিও না খাবার পরামর্শ দিচ্ছেন বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকরা।

৪) উষ্ণ জলে স্নান-

একটু উষ্ণ জলে স্নান করা খুব জরুরি, তাতে শরীর অনেক ফ্রেশ হয় এবং রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বেড়ে যায়।

৫) পরিমিত ঘুম-

পরিমিত ঘুম খুবই প্রয়োজন , যতই স্ট্রেস থাকুক ঘুমোনোর সময় কখনো কমিয়ে ফেলবেননা। শরীর যত সুস্থ থাকবে ততই আপনারা কোরোনার মতো ক্ষতিকারক ভাইরাস থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারবেন।

৬) মেডিটেশন –

ধ্যান যে শুধু মাত্র মাইন্ড ফ্রেস করে তা কিন্তু নয়। একই সাথে এটি আপানার ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখে। এমনকি এটি স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, যেটি অবশ্যই আপনার ইমুইনি সিস্টেমকে চাঙ্গা করে।

৭) তুলসী পাতা-

যাই খান না কেন প্রতিদিন নিজের খাবারে এই ভেষজ তুলসী পাতা অ্যাড করতে ভুলবেন না। এই সময়টি সর্দি কাশির প্রকোপ পড়তে দেখা যায়। কারণ রিতু পরিবর্তনের সময় নানা রকম ভাইরাস চাঙ্গা হয়ে যায়। ফলে সর্দি কাশি অনেকটাই বাড়ে। কিন্তু যদি প্রতিদিন কিছু ভালো করে ধোয়া তুলসী পাতা সামান্য মধুর সাথে খান, তা ভিতর থেকে আপনার ইনফেকশন সারাবে আর তা বাড়তেও দেবে না। এমনকি জলের মধ্যে তুলসী রেখে খেলেও তা এলার্জি এর বিরুদ্ধে লড়ে।

ব্যাস নিজের ইমুইনি সিস্টেমকে মজবুত করে তুললেই, আপনি করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধতে জয়ী হতে পারবেন। তাই আগে থাকতেই নিতে থাকুন এই সাবধানতা গুলি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।