ত্বকের পুষ্টি জোগাতে স্কিন ফাস্টিং কতটা প্রয়োজন জানেন? (5 ways to do skin fasting for healthy skin)

  • by

দিনের-পর-দিন কেমিক্যাল ভর্তি নানা প্রসাধনী আমাদের স্কিনের প্রয়োগের কারণে স্কিনের যতটা না উপকার হয় তার চেয়ে অপকার হয় বেশি। এতে আস্তে আস্তে ত্বকের অবনতি ঘটে। এক্ষেত্রে সপ্তাহে একদিন কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করা চলবে না শুধু প্রয়োজনে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে পারেন।

স্কিন ফাস্টিং কি –

তবে একথা সত্যি সপ্তাহের দিন কয়েক উপোস করলে নাকি শরীরের মঙ্গল । আসলে, এই উপলক্ষে জমে থাকা সব ময়লা উপাদান বেরিয়ে যায় শরীর থেকে। ফলে রোগ ব্যাধির থেকে মুক্তি ও সঙ্গে ওজন হ্রাসের জন্য বেশ ভালো একটা উপায়। তবে স্কিন ফাস্টিং এর জন্য সারাদিন না খেয়ে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন না বিশেষজ্ঞরা। কিছু না খাওয়াকে যেমন উপোস করা বলে, তেমনি কয়েকদিন কোন প্রসাধনী ব্যবহার না করাকে স্কিন ফাস্টিং বলে।

এই স্কিন ফাস্টিং চলাকালীন ত্বকের ভিতরে জমে থাকা কেমিক্যাল এবং নানান টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। ত্বকের উন্নতি হয়, ফলে, ভেতর থেকে সুন্দর হয়ে ওঠে ত্বক ও জেল্লাময় হয়ে ওঠে।

কেন করব স্কিন ফাস্টিং-

মোটামুটি বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে সানস্ক্রিন, মেকআপ সবই আমরা প্রায় সকলেই ইউজ করি। তারপর বাড়ি ফেরা মাত্রই আবার ফেসওয়াশ, টোনার কেউ কেউ আবার নাইট ক্রিম কত কিছুই না প্রয়োগ করি আমাদের এই ত্বকে। তাহলেই বুঝুন কি অবস্থা। আমাদের এত কিছু প্রয়োগেই আমাদের ত্বক শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পায় না উপরন্তু এতকিছু ব্যবহারের ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায় ও সৌন্দর্যতা কমে যায়।

জেনে নিন ঠিকই কি করবেন এর জন্য-

1। কোন ধরনের ত্বকের রোগের চিকিৎসায় চলাকালীন স্ক্রীনক্যাস্টিং না করাই উচিত। প্রয়োজনে এই নিয়ে একবার ডার্মাটোলজিস্টের সঙ্গে আলোচনা করে নিতে ভুলবেন না।
2।স্কিন ফাস্টিং চলাকালীন কোন ধরনের টোনার লোশন বা সিরাম ব্যবহার করা চলবে না। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
3। কতদিন ফাস্টিং চালাতে হবে তা নির্ভর করে মরশুমের উপরে। যেমন ধরুন বছরের এই সময়ে সপ্তাহে একদিন করে টানা দেড় দুমাস তিন skin fasting চালালে উপকার পাবেন।
4 ফাস্টিং চলার সময় দিনে অন্তত চার লিটার জল খেতে ভুলবেন না। যত বেশি পরিমাণে জল খাবেন তত তাড়াতাড়ি ditox হবে এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটবে।
5 । সপ্তাহে জেরিন ফাস্টিং করবেন সেদিন বাড়ির বাইরে না বেরোনই ভালো।

স্কিন ফাস্টিং এর সময় নিয়ম অক্ষর অক্ষর পালন করবেন। নাহলে ত্বকের মেকানিসম দুর্বল হয়ে পড়ায় আশঙ্কা থাকে। ফলে নানান ধরনের ত্বকের রোগ বাড়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায।
তবে এটা ঠিক প্রসঙ্গত জাপানিদের মস্তিষ্কপ্রসূত এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে আরো একটি উপকার পাবেন। এই ফাস্টিংয়ের সময়ে ত্বক নিজের ক্ষতের চিকিৎসা সুযোগ পায়। ফলে ভিতরে এবং বাইরে থেকে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সময় লাগে না। তবে তৈলাক্ত ত্বক যাদের তাদের কোন না কোন জেলা প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয় ।তাই স্কিন ফাস্টিং চলাকালীন এইসব জরুরী প্রসাধনী ব্যবহার করলে কোন ক্ষতি নেই ।

Tags:

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।